
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার আমতলীর কুকুয়া ইউনিয়নের আমড়াগাছিয়া নামক স্থানে এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় মামলার পর পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করে এবং ধর্ষক রহিম মোল্লাকে (৫৩) গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার সকালে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।পুলিশ এবং মামলা সূত্রে জানা গেছে, আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের আমড়াগাছিয়া বাজারের ব্রয়লার মুরগীর ব্যবসায়ী মৃত সেরাজ মোল্লার ছেলে মো. রহিম মোল্লা ওই গ্রামের আমড়াগাছিয়া দারুল হিকমাহ নূরানী হাফিজিয়া মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির (১০) এক ছাত্রীকে চিপস ও বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষন করে। সর্বশেষ চলতি মাসের ৭ জুলাই রহিম মোল্লা ওই মাদরাসা ছাত্রীকে তার দোকানের পিছনের একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষন করে। মেয়েটি এঘটনা তার এক বান্ধীকে জানায় এবং তার ওই বান্ধবী মেয়ের মাকে জানালে সে মেয়েকে এবিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মেয়েটি তার মাকে একাধিকবার
ধর্ষনের কথা জানায়।এঘটনা জানা জানির পর মেয়েটির বোন বাদী হয়ে বুধবার সন্ধ্যায় আমতলী থানায় মো. রহিম মোল্লাকে আসামী করে একটি ধর্ষন মামলা করেন।মামলার পর পুলিশ রহিম মোল্লাকে ওই রাতেই গ্রেপ্তার করে এবং মেয়েটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরগুনার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে পাঠায়। মামলার বাদী বলেন, আমার বোনকে রহিম মোল্লা একাধিকবার ধর্ষন করেছে। খুন করার ভয় দেখানোর পর আমার বোন ভয়ে এতদিন কাউকে কিছু বলেনি। তাই মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে। মেয়েটির মা জানায় রহিম মোল্লা খুব খারাব প্রকৃতির লোক। সে আমার মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষন করেছে। এবং সে আমার মেয়েকে হত্যার ভয় দেখানোর কারনে এতদিন কাইকে কিছু জানায়নি। পরে সে তার
এক বান্ধীকে জানালে ওই মেয়েটি আমাকে জানায় এবং আমি আমার মেয়েকে এবিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ধর্ষনের সব কথা আমাকে খুলে বলে। আমি এঘটনায় রহিম মোল্লার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী শাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, মামলার পর ধর্ষক রহিম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এবং মেয়েটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য বরগুনার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রেরন করা হয়েছে।