
নড়াইল সদর উপজেলার চুনখোলা গ্রামের হতদরিদ্র ভ্যানচালক বজলু বিশ্বাসের (৪০) পুরুষাঙ্গ কাটার ৪দিন অতিবাহিত হলেও আটক হয়নি ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা। আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনীর সদস্যদের বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে অপরাধীরা। পুলিশ বলছে ভূক্তভোগী কোন অভিযোগ দায়ের না করায় আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারছি না। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা আটক না হওয়ায় এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার অনেকেই মন্তব্য করেছেন গরীব ভ্যান চালক হওয়ার কারণেই কি অপরাধীরা আইনকে হাতে তুলে নিয়ে জঘন্যতম এমন ঘটনা ঘটিয়ে পার পেয়ে যাবে। প্রভাবশালীদের চাপে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের চুনখোলা গ্রামের হতদরিদ্র ভ্যানচালক বজলু বিশ্বাসকে (৪২) একই গ্রামের আজব মোল্যার স্ত্রী রাবেয়া বেগম গত শনিবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির ওঠানে খড়ের গাদার কাছে নিয়ে ধারালো ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা ২৫০শয্যা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। ভূক্তভোগী বজলু অভিযোগে বলেন, রাবেয়া আমাকে কৌশলে তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। অন্যদিকে রাবেয়ার দাবি, বজলু গত শুক্রবার (১২ জুলাই) আমাদের বাড়িতে আসে। আমার স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে বজলু আমাকে কুপ্রস্তাব দিলে আমি কৌশলে এড়িয়ে যাই। পরদিন শনিবার সন্ধ্যায় বজলু আবার আমাদের বাড়িতে আসে এবং আমাকে জাপটে ধরে যৌন লালসা চরিতার্থ করার চেষ্টা চালায়। আমি সম্ভ্রম বাঁচাতে হাতের কাছে ব্লেড পেয়ে তার পুরুষাঙ্গে পোচ দেই। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের ডাক্তার মানষ মজুমদার জানান, গুরুতর আহত বজলুকে হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। চিকিৎসা শেষে বলা যাবে বজলু শংকামুক্ত কি না।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।