
নির্বাচনে জয়ী হলে চন্ডীবরপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে পরিণত করার ঘোষনা দিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন। ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে তাঁদের ভাগ্যোন্নয়নে শরিক হতে চাই। আমাদের পরিবারের সদস্যরা ইউনিয়নের মানুষকে সবসময় সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে থাকেন। তার অংশ হিসেবে আমার বড়ভাই মোঃ বখতিয়ার হোসেনও চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হয়ে জনগণকে সেবা দিয়েছেন। জেলার ঐতিহ্যবাহী এ ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য যা যা করা দরকার তা নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের হুইপ তারুণ্যের অহংকার মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার সহযোগিতা নিয়ে সম্পন্ন করতে চাই। ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিভিন্ন এলাকার কাঁচা রাস্তা পাকাকরণসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও পড়ালেখার মানোন্নয়ন ঘটাতে চাই। মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করে বলেন, আমি আগেও এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলাম। তখনও চেষ্টা করছি ইউনিয়নকে সন্ত্রাস, মাদক ও জুয়ামুক্ত করতে। আমি এবার নির্বাচনে জয়ী হলে চন্ডীবরপুর ইউনিয়ন হবে সন্ত্রাস, মাদক ও জুয়ামুক্ত। ইউনিয়ন পরিষদকে করব ঘুষ ও দূর্নীতিমুক্ত। আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করব ইউনিয়নের মানুষের সেবা করে যেতে। আসন্ন নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডীবরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন আগামি ২৭ জুলাই। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইউনিয়নের ভোটারদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া মহল্লা সর্বত্রই চলছে নির্বাচনী আলোচনা-সমালোচনা। নির্বাচনে আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চন্ডীবরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ভোটারদের আস্থাভাজন মোঃ সাজ্জাদ হোসেন নিয়মিতভাবে প্রচার-প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সমর্থকদের সাথে নিয়ে সভা-সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ করে চলেছেন।রতডাঙ্গা গ্রাম তথা চন্ডীবরপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান সাজ্জাদ হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ ইউনিয়নের উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছেন। সুখে.দু:খে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এ কারণেই ভোটারদেরও পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন তিনি (মোঃ সাজ্জাদ হোসেন) বলে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ মন্তব্য করেছেন।রতডাঙ্গা গ্রামসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের একাধিক নারী-পুরুষ ভোটার বলেন, আমরা সুখে-দুখে, বিপদে-আপদে সবসময় সাজ্জাদ হোসেনকে পাশে পাই। আমরা তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ। সাজ্জাদ হোসেন বিগত দিনে যখন এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন তখনও তিনি ইউনিয়নের জনগণের জন্য কাজ করেছেন এখনও করবেন বলে আমরা আশাবাদী। মডেল ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য সাজ্জাদ হোসেনের বিকল্প নেই বলে তারা জানান।উল্লেখ্য মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ২০১১ সালে বিপূল ভোটে এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত কর্মদক্ষতা দিয়ে সাফল্যের সঙ্গে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।