ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ
দেওয়ানগঞ্জে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ বাবা মৃত্যু
নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঈদ পুনর্মিলনী
জামায়াতে ইসলামীতে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই:রফিকুল ইসলাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে
ভূরুঙ্গামারীতে মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র সম্মেলনের উদ্বোধন
বিরামপুরে আগ্নিকান্ডে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই

কলাগাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা ?

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : এ কেমন শত্রুতা ? মানুষ কতটুকু নির্দয় ও নিষ্ঠুর হলে গাছের সাথে এমন শত্রæতা করতে পারে ? মানুষের সাথে না পেরে তাঁর গাছের সাথে শত্রæতার জিদ মেটালো। নিরীহ কৃষকের কলাবাগানের ২১৮টি কলাগাছ কুপিয়ে তছনছ করেছে অজ্ঞাত ব্যাক্তিরা।এতে করে কৃষকের অর্ধ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধিত হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কৃষক অজ্ঞাত কারনে
কোন প্রতিবাদ বা জনপ্রতিনিধি কিংবা পুলিশ প্রশাসনকেও বিষয়টি
অবগত না করে নীরবতা পালন করছেন। এমন ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের বনুড়া কুড়েরপাড় গ্রামের নিরীহ কৃষক শহীদ মিয়ার কলাবাগানে। তবে কৃষক শহীদ মিয়া জানান, কাহারও সাথে তাঁর কোন পূর্ব শত্রুতার ছিলনা, এমনকি বর্তমানেও তাঁর কোন শত্রæ নেই। কিন্তু কেনইবা তাঁর সাথে এমনটি হয়েছে, তা তিনি জানেন না। জানাগেছে, গাংগাইল ইউনিয়নের বনুড়া কুড়েরপাড় এলাকায় ৬০ শতাংশ
জমিতে কৃষক শহীদ মিয়া ধানের পরিবর্তে কলাবাগান তৈরী করেছেন। তিনি দুই বৎসর যাবত সেখানে কলা চাষ করে সবে মাত্র লাভের মুখ দেখছেন। বৃহস্পতিবার সরজমিন গিয়ে দেখাযায়, কলাবাগানের পাশে পড়ে রয়েছে সারিবদ্ধ শতশত অপরিপক্ক কলার ছড়ি। লাল কাপড়ে বাধানোর মতো কলার তোড়ও রয়েছে কলার ছড়িতে ঝুলানো। কলাগুলো এখনও অপরিপক্ক হওয়া তা কোন কাজে আসছে না। সেগুলো বিক্রিও করা যাবে না বা অন্য কোন কাজেও লাগানো যাচ্ছেনা। এছাড়া কলাবাগানে ভিতর ঢুকে দেখা যায় যে, এলোপাথাড়িভাবে কুপিয়ে কলাগাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। রাতের আধারে একটি সংঘবদ্ধ দল দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে
কলাবাগানের ২১৮টি কলাগাছ কেটে ফেলেছে। কিন্তু এমন শত্রæতা কে বা কাহারা করেছে, তা কেউই জানেনা। এদিকে কৃষক শহীদ মিয়া কলাগাছ কাটার বিষয়ে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা পুলিশ প্রশাসনকে কাউকে অবহিত না করে নীরবতা পালন করছেন। এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি আমি লোকমুখে শুনেছি, ওই কৃষক আমাকে কিছুই জানায় নি। তবে বিষয়টি কথিয়ে দেখা প্রয়োজন।

শেয়ার করুনঃ