
রাজধানীর বিমানবন্দরে রিকশাচালকদেরকে পিটিয়ে আহত,মোবাইল ফোন নষ্ট ও টাকা নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিমানবন্দর থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফজলুল হক নান্নু ও তার ভাই বাবুল শেখের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো.মনির নামের একজন রিকশাচালক।
বিমানবন্দর গোলচত্ত্বর সংলগ্ন বাবুস সালাম মসজিদের পিছনের রাস্তায় সোমবার (১ জুলাই) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
পরে গাজীপুরের টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ্ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে এ ঘটনায় বিমানবন্দর লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী এক রিকশাচালক। সোমবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত খান।
ভুক্তভোগী রিকশা চালক মো.মনির বলেন,’যাত্রী নিয়ে বিমানবন্দরের বাবুস সালাম মসজিদের নিচের হোটেলের সামনে সন্ধ্যায় নামিয়ে দেই। পরে চলে আসার সময় শেখ ফজলুল হক নান্নু (৫৫) ও বাবুল শেখ (৫৮) আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে নান্নু তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে হাতের কুনুই,পায়ের উরু এবং কোমড়ে পিটিয়ে আহত করে। সেই সাথে আমার পকেটে থাকা মোবাইলটি মাটিতে ফেলে ভেঙ্গে ফেলে। তার ভাই বাবুল শেখ আমার লুঙ্গির কোচায় থাকা ১৪ হাজার ৭০০ টাকা নিয়ে যায়।’
তিনি বলেন,’ওই সময় জিয়াউর রহমান নামের আরেক রিকশা চালক এগিয়ে আসলে তাকেও তারা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পিটিয়ে আহত করে। পরে রিকশাচালক রাহাত, সিরাজ, রাসেলরা এগিয়ে এসে আমাদেরকে উদ্ধার করে।’
অভিযোগের বিষয়ে বিমানবন্দর থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিমানবন্দরের আল আমিন হোটেলের মালিক শেখ ফজলুল হক নান্নু আজকের পত্রিকাকে বলেন,’পুলিশ বক্সের পিছনে রিকশা জ্যাম করে রাখে। তখন লাঠি দিয়ে সরিয়ে দিয়েছি। তখন হয়তো লাঠির বারি লাগতে পারে।’
মারধর করে টাকা নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে নান্নু বলেন,’একজন রিকশা চালকের কাছে ১৪ হাজার টাকা থাকতে পারে, সেটা সত্য না মিথ্যা আপনি ঝাচাই করে দেখেন।’
এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্রা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত খান আজকের পত্রিকাকে বলেন,’অভিযোগ পেয়েছি। আমরা আমাদের অফিসার বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন।’
ডিআই/এসকে