
পাকা ভাউচার ছাড়া ডিম বেচা-কেনায় কোনো লেনদেন হবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ.এইচ.এম.সফিকুজ্জামান। বলেন,‘এখন অভিযান পরিচালনাকালে পাকা ভাউচার না পেলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে ডিমের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে মতবিনিময় সভায় এসব বলেন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। সভায় ডিম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান,পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী, ডিম ব্যবসায়ী সমিতি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সফিকুজ্জামান বলেন,অধিদপ্তরের অভিযানের ফলে ডিমের অস্বাভাবিক মূল্য হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু এটা স্বাভাবিক আচরণ নয়। ডিম সেক্টরকে সুসংগত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। ডিম বিক্রির কারসাজির ক্ষেত্রে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
মহাপরিচালক বলেন,ডিমের বাজার অস্থিরতার বিষয়ে গত বছরও এই সময় আমরা সভা করেছিলাম। এ বছরও একই সময়ে আয়োজিত এই সভার বিষয়বস্তু আমার কাছে নতুন মনে হয়নি। আবারো পর্যালোচনায় উঠে এসেছে এই সেক্টরে বিশৃঙ্খলা রোধ করতে প্রয়োজন ডিম ক্রয়-বিক্রয়ের পাকা ভাউচার প্রদান।
ভোক্তা ডিজি বলেন,বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের গবেষণায় দেখা যায় একটি ডিমের উৎপাদন খরচ ১০ টাকা ৮৮ পয়সা। ডিমের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে বিপণন সংশ্লিষ্ট লোকজন জড়িত। অধিদপ্তরের অভিযানে দেখা যায় একই ট্রাকে ডিম রেখে তিন বার হাত বদলের মাধ্যমে বিক্রি করে প্রতিটি ডিম মূল্য গড়ে প্রায় ১ টাকা বৃদ্ধি করা হয়।
ডিআই/এসকে