ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
যৌথবাহিনীর অভিযানে সাতদিনে গ্রেফতার ৩৪১
এসো আমরা ঈদের আনন্দের সাথে নিজেরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করি-ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সালেহী
কলাপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় গ্রেফতার ৭
নওগাঁয় ধানখেতে গলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মুলহোতা গ্রেপ্তার
নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়ি কন্যা পর্যটন লেকে ঈদে ১৬ বছরের রেকর্ড পর্যটকের ঢল
বাঁশখালীতে টানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ আদায় করা ১৭ শিশু-কিশোর সাইকেল উপহার
আত্রাইয়ে ঈদের চতুর্থ দিনেও সাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশনজুড়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গ্রেফতার
কলমাকান্দায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার পলাতক অলি আহমেদ
নেত্রকোণা সরকারী কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
ভারতীয় মিডিয়া গুজবে চ্যাম্পিয়ন:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জিয়ার শ্রদ্ধা স্মারক সরিয়ে ফেলার অপকর্মে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনুন:জাসাস
কালিগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী 
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬

ধর্ষণ মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ ও জোরপূর্বক ধর্ষণ মামলার ১৪ বছর কারাদণ্ড ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তার নাম জুয়েল (৩৫)।

রোববার সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার খান আসিফ তপু।

তিনি জানান,জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানা এলাকার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ ও জোরপূর্বক ধর্ষণ মামলার ১৪ বছর কারাদণ্ড ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. জুয়েল (৩৫)’কে ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন হেমায়েতপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,গত ২০২০ সালের ২১ আগস্ট জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল এলাকার আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে অভিযুক্ত জুয়েল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্ত মো. জুয়েলকে আসামি করে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় গ্রেফতারকৃত জুয়েল ২ মাস জেল হাজতে থাকার পর আদালত হতে জামিনে মুক্তি লাভ করে নিয়মিত আদালতে হাজিরা না দিয়ে পলাতক হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন।

জুয়েল পলাতক থাকা অবস্থায় আদালত বিচারকার্য শেষে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ মাসের কারাদণ্ড এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন।।সাথে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করেন। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ডিআই/এসকে

শেয়ার করুনঃ