
আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৭,৮ও ৯ নং ওয়ার্ড ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দূরে থাকায় ১৭ টন জেলেদের চাল কিছুদিন আগে বন্যায় রাস্তা খারাপ থাকায় জনসাধারণের কষ্ট দুর্ভোগ ও অর্থ খরচ লাঘবের জন্য জনগণের অনুরোধে চাল বিতরণের স্থান পরিবর্তন করেন তিনি। শনিবার রাতে একটি ঘরে সকালে বিতরণের জন্য ১৭ টন চাল এনে রাখা হয়।রাতেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিন মাহামুদ ছেলেদের জন্য রাখা চাল জব্দ করেন।খবর পেয়ে জেলেরা উপস্থিত হয়ে তাদের জন্য রাখা চাল জব্দ করতে বাধা দেন।উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ শাহিন মাহমুদ এ চাল জব্দ করেন। তিনি জানান, ৫০ কেজির প্রায় ৩৫০ বস্তা সরকারী চাল জব্দ করা হয়েছে।সরকারী চাল গোডাউন ব্যতিত কোন.ব্যক্তিগত বাসা বাড়ীতে রাখার কোন নিয়ম নাই। এটি অপরাধ। আপাতত চালেরবস্তা গুলো সীলগালা করা হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মর্তুজা জানান, ৭,৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সুবিধাভোগী জেলের কষ্টের কথা চিন্তা করে তাদের অনুরোধে আমার বাড়িতে অর্থাৎ তাদের সুবিধাজনক স্থানে চাল বিতরণের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিষদ থেকে চাল আনতে প্রত্যেকের অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়।