
ফরিদপুর সরকারী রাজেন্দ্র কলেজের অনার্স ২য় বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান নূর
(তুরাগ) হত্যার প্রধান আসামী টিপু খা’কে গ্রেফতার করে র্যাব ১০ ক্যাম্প।
আজ সোমবার (৬নভেম্বর)২৩ইং তারিখ রাত আনুমানিক ০১:৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানার করিমপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে পলাতক আসামি মোঃ টিপু খা (৩৫), পিতা-মোঃ হালিম খা, সাং-ধুলদী, থানা-কোতয়ালী, জেলা-ফরিদপুর’কে গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি উক্ত হত্যাকান্ডে তার সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য গত (১ অক্টোবর)২৩ ইং তারিখ ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানার অম্বিকাপুর এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজে অনার্স ২য় বর্ষে শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান নূর তুরাগ(২২)’কে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে বিকালে তার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে হাত-পা কেটে নৃশংস ভাবে হত্যা করে মেহগনি বাগানের মধ্যে ফেলে রেখে যায়।
পরবর্তীতে তুরাগের পরিবারের লোজন তাকে ফোন দিয়ে কোন সারা না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। খোঁজিখুঁজি করার এক পর্যায় তুরাগের বড় ভাই মোঃ আবুল কালাম আজাদ স্থানীয় লোকজনদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, উক্ত এলাকার মোঃ টিপু খা (৩৫)সহ ৯-১০ জন লোক মিলে একটি বিচ্ছিন্ন হাত নিয়ে উল্লাশ করছে এবং নিকটবর্তী গোবিন্দপুর এলাকার একটি মেহগনি ও কলা বাগানে অজ্ঞাত একজন ব্যক্তির লাশ পড়ে আছে।
উক্ত সংবাদ জানতে পেরে বড় ভাই স্থানীয় লোকজন নিয়ে ঘটনার দিন ১১/১০/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা উল্লেখিত মেহগনি ও কলা বাগানে গিয়ে রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত এবং বাম হাতের কনুইয়ের একটু উপর হতে হাত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ভিকটিম তুরাগের লাশ দেখতে পায়।
উক্ত হত্যাকান্ডের পর মৃত আসাদুজ্জামান নূর তুরাগের পিতা মোঃ আলাউদ্দিন হাওলাদার (৬৭) বাদি হয়ে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানায় মোঃ টিপুসহ ০৭ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই হত্যাকান্ডে বিষয়টি জানতে পেরে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল উক্ত হত্যাকান্ডের জড়িত আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এবং হত্যাকারিকে আটক করতে সক্ষম হন।