ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
নড়াইলে বিএনপি নেতা সান্টুর উপর ককটেল হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ
লাখো পর্যটকের সমাগম কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে। শতভাগ হোটেল মোটেল বুকিং
আমতলীতে কুপিয়ে স্ত্রীর হাত কর্তন করলেন নেশাগ্রস্থ স্বামী
হোমনায় যুবকের ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধার
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে মোদির সঙ্গে কথা বললেন ড. ইউনূস
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
ঈদ পরবর্তী বিআরটিএর বিশেষ অভিযান: ৬ লাখ ৮৭ হাজার জরিমানা,২৮৯ মামলা
রায়পুরে আ’লীগ বিএনপির যৌথ হামলায় নারীসহ আহত ৫
পাঁচবিবিতে শিক্ষার্থী সমিতির স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন
মহানবী সাঃ কে নিয়ে কটুক্তি করার প্রতিবাদে ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল
ভোলায় হাতবোমা-মাদকসহ ৫ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আটক
নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনায় দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১২
নেত্রকোণা সরকারি কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
রামুর ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া ফইজুল উলুম মাদ্রাসার মিলন মেলা বর্ণঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি থেকে ছড়ানো হচ্ছে রাসেল ভাইপারের গুজব

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফেসবুকে শুরু হয়েছে গুজব।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ধরা পড়ায় দেশব্যাপী আলোচনায় বিষধর সাপ চন্দ্রবোড়া বা রাসেল ভাইপার। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সাপের বিষক্রিয়া নিয়ে চলছে আলোচনা। কিন্তু সাপটি নিয়ে
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকাল থেকে স্থানীয় কয়েকটি ফেসবুক ভিত্তিক গ্রুপে শহরের পুনিয়াউটসহ কিছু এলাকায় রাসেল ভাইপার সাপ পাওয়ার পোস্ট দেওয়া হয়। এসব পোস্ট দ্রুত ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট আইডি থেকে ছড়িয়ে পরে। ফেসবুকে এসব ছবি ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে যাচাই করে জানা যায় এসব ছবি অন্য জেলার৷

তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জেলার কোথাও রাসেল ভাইপার উদ্ধার কিংবা এর কামড়ে কেউ আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। এ খবর নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন।

তিনি জানান, জেলার কোথাও রাসেল ভাইপার সাপে কেউ আক্রান্ত হওয়ার খবর মেলেনি। যদি কেউ এই সাপে আক্রান্ত হয় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। আক্রান্ত কাউকে যেন কবিরাজের কাছে নিয়ে কালক্ষেপণ না করা হয়। কবিরাজ সাপে কাটা রোগীর শরীরে ক্ষত তৈরি করে। এতে করে ইনফেকশন হয়।

তিনি আরও জানান, এছাড়াও এই সাপের বিস্তার সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য মেলেনি। প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত আছে। ঢাকায়ও অনেক আছে, প্রয়োজনে আমরা আরও নিয়ে আসবো।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানান, আমাদের হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম রয়েছে। যা দিয়ে আগামী তিন মাস রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া যাবে।

শেয়ার করুনঃ