
ময়মনসিংহের নান্দাইলে গ্রামীণ রাস্তার উপর বাধ দেওয়ায় সীমাহীন দুর্ভোগে ভোগছে পানি বন্দী ১০টি পরিবার। চরম দূর্ভোগের শিকার হওয়ার পরিবারগুলো সমাজের নি¤œবিত্ত হওয়ায় এ ভোগান্তির যেন শেষ নেই। এমনটি ঘটেছে নান্দাইল উপজেলার ৫নং গাংগাইল ইউনিয়নের গাংগাইল বাজার সংলগ্ন পংকরহাটি খালপাড় গ্রামে সরজমিন দেখাগেছে, গাংগাইল বাজার বাংলালিংক টাওয়ারের পাশ দিয়ে পংরকরহাটি গাংগাইল পাড়া মসজিদে যাওয়ার রাস্তার একপাশ ও রাস্তার মাঝখানে মাটি দিয়ে বাধ দেওয়া হয়েছে। এতে
করে রাস্তার একপাশ সহ আশপাশের ১০টি পরিবারের বাড়ি-ঘরে পানি উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ছালাম ও রেজ্জাক নামে দুই প্রভাবশালী ব্যাক্তি রাস্তার মধ্যে এ বাধ দিয়েছেন। তাঁরা তাদের পুকুর রক্ষার জন্য নাকি এ কাজ করেছেন। ফলে ঘর থেকে বের হতে পারছে না পানি বন্দী ১০টি পরিবারের শিশু-কিশোর-বৃদ্ধ সহ অর্ধ শতাধিক লোকজন। বসতঘর, পাকঘর, গোয়ালঘর সহ বাড়ির সর্বত্রই থৈ থৈ করছে পানিতে।শুধু তাই নয় এ বাধ দিয়ে পানি আটকানোর কারণে পংকরহাটি খালপাড় জামে মসজিদের মসুল্লীগণ,এলাকার স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় বাসিন্দাদেরকে পানি ও খাদা পেরিয়ে অতি কষ্টে যাতায়াত করতে হয়। ঈদ আনন্দ তো দূরের কথা অসহায় পরিবারগুলো তিন বেলা রান্না-বান্না, খাওয়া-দাওয়ায় ও রাত্রি যাপনে আতংকে দিন কাটাতে
হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা সাত্তার, আব্দুল হাই, সোহেল,সুমন,রফিকুল ও রবিকুল জানান, ঈদের আনন্দ তো দূরের কথা, গত ঈদের পূর্বে থেকে পানিবন্দী হওয়ায় একটু শান্তিতে ঘুমাতেও পারছেন না। সবসময় সাপ-বিচ্ছুর আতংকে পরিবারকে নিয়ে রাত কাটাতে হচ্ছে। এ দূর্ভোগ কি কোনদিন শেষ হবে না। এ বিষয়ে প্রভাবশালী ছালাম ও রেজ্জাকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট আসাদুজ্জামান নয়নের সাথে সেলফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি।শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।