
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ,বাংলাদেশ চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে আবারও ঘোষণা করেছেন, বাংলাদেশ পুলিশের কোন সদস্য কোন ধরনের অপরাধে জড়িত থাকলে কোন ধরনের ছাড় নেই। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।
গত বৃহস্পতিবার (১৩ জুন ) সময় টিভি-তে প্রচারিত রিপোর্টে কোরবানীর গরুবাহী গাড়ি থেকে পুলিশ সদস্য কর্তৃক অর্থ আদায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ওই দিনই (১৩ জুন ) এসআই (নিরস্ত্র) শেখ নজরুল ইসলাম,রূপগঞ্জ থানা, নারায়ণগঞ্জ,এসআই (সশস্ত্র) মো.আসাদুজ্জামান,পুলিশ লাইন্স,নারায়ণগঞ্জ,কনস্টেবল মো.নাজির শেখ,পুলিশ লাইন্স,নারায়ণগঞ্জ,কনস্টেবল যুগল মন্ডল,পুলিশ লাইন্স,নারায়ণগঞ্জ এবং কনস্টেবল তানভীর হোসেন আকাশ,পুলিশ লাইন্স,নারায়ণগঞ্জ-কে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।
এছাড়া,এ ঘটনা তদন্তে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম)-কে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্টের প্রেক্ষিতে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কারো বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কারো বিরুদ্ধে কোরবানীর পশুর হাটে চাঁদাবাজি অথবা কাউকে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। অপরাধী যেই হোক তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ডিআই/এসকে