
পবিত্র ঈদুল আযহার বাকী একদিন মুসলমানদের ত্যাগের একটি উৎসব এই পবিত্র কোরবানি। তাই সবাই চাচ্ছে পছন্দের পশুটি কোরবানি দিয়ে ত্যাগের এই উৎসবটি পালন করতে। কোরবানী
উপলক্ষে আমতলীর বাজারগুলোতে চলছে পশু ক্রয় বিক্রয় ।আমতলী উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্র জানা গেছে, আমতলী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ছোট-বড় বিভিন্ন খামার ও গৃহস্থ পরিবারে প্রায় আট হাজার ৭৮৯টি পশু প্রস্তুত করেছে। এর মধ্যে ষাঁড় ৪ হাজার ৪৮৩ ও বলদ দুই হাজার ৭২৭টি, গাভি ৫৭৭টি, মহিষ ৬২১টি, ছাগল দুই হাজার ৪৯৮টি । এ বছর উপজেলায় কোরবানি ঈদের জন্য পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৬২৩ টি উদ্বৃত্ত রয়েছে ২৮২টি পশু।আমতলী উপজেলার বেশ কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা যায়,প্রতি বছর কোরবানির পশুর দাম একটু বেশি। তবে হাটগুলোতে বিক্রেতারা নিজেদের মতো করে দাম হাঁকাচ্ছেন বলে দাম বেশি বলে অভিযোগ করছেন ক্রেতারা।আমতলী উপজেলা সদরের গো-হাটটি বরিশাল বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বড়।এছাড়া উপজেলার গাজীপুর বন্দর গো-হাট, চুনাখালী গো-হাট, গুলিশাখালী গো-হাট, কলাগাছিয়া গো-হাট, বান্দ্রা গো-হাট ছাড়াও স্থানীয় ব্যাপারীরা এলাকায় গৃহস্থের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গরু ক্রয় করে তা বিভিন্ন বাজারে নিয়ে বিক্রি করেন।কোরবানির গরু কিনতে আসা সজীব আহমেদ বলেন, ‘প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম বেশি আর এক ক্রেতা শাওন মৃধা বলেন, ‘বিদেশি গরু বাজারে না
আসায় দেশি গরুর দাম বেশি। তবুও আমরা খুশি দেশি খামারিরা লাভবান হচ্ছেন।’কনিবার বেলা ১১ টায় দক্ষিনাঞ্চলের সবচেয়ে বড় গরুর হাটে পরিবার পরিজনের সাথে একত্রে কোরবানির ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাড়িতে আসতে শুরু করেছে মানুষ । তারা আগে ভাগেই কোরবানির গরু কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেআমতলী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নাজমুল হক বলেন, ‘প্রতিটি বাজারেই ক্যাম্প বসানো হয়েছে। যাতে কেউ ফাঁকি দিয়ে রোগাক্রান্ত বা অসুস্থ গরু বিক্রি করতে না পারে।’আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী সাখেয়ায়াত হোসেন তপু ব বলেন, গরু হাটগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ফোর্স মাঠে রয়েছে।