
স্বাক্ষর জাল করিয়া প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কোর্ট থেকে সোলে মূলে জমি দলিল করে নিয়েছেন মামাতো ভাই। এ তথ্য দিয়ে ফুফাতো ভাই বোনরা পটুয়াখালী প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তাদের উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৪ জুন শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টায়। এসময় এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগীদের পক্ষে মোঃ মাসুম খান নামে পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন মরিচ বুনিয়া ইউপির এক ব্যক্তি।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যর মাধ্যমে বলেন,তার মায়ের বাড়ি পটুয়াখালী পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের টাউন কালিকাপুর এলাকায়। তার মাতা ওয়ারিশ সুত্রে তার বাবার বাড়ী থেকে ৭ শতাংশ জমি পায়।পরবর্তী সময়ে তার মায়ের মৃত্যুর পরে তারা ভাই বোনেরা উক্ত জমির ওয়ারিশ সুত্রে মালিক বিদ্যমান থাকেন। তিনি দীর্ঘদিন দেশের বাহিরে ছিলেন।
এ সুবাদে তার আপন মামাতো ভাই মোঃ মাহাতাব খন্দকার বর্তমানে জজ কোর্টের পেশকার হিসেবে কর্মরত আছেন। এসময় ভুক্তভোগী মোঃ মাসুম খান তার লিখিত বক্তব্যর মাধ্যমে আরও বলেন, তার ভাই বোনেরা তেমন শিক্ষিত না। সে সুযোগে আপন মামাতো ভাই মোঃ মাহাতাব খন্দকার তাদের নানা বাড়ী থেকে ওয়ারিশ সুত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি রেকর্ড করে দেবে বলিয়া তার ৭ ভাই বোনের মধ্যে ৪ ভাই বোনের কাছ থেকে রেকর্ড করার জন্য এক কপি ছবি ও কাগজে স্বাক্ষর নেয় এবং তাকে সহ ৩জনের স্বাক্ষর জাল করিয়া প্রতারনার ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কোর্ট থেকে সোলে মূলে দলিল করে নেয়। তিনি দেশে আসার পর বিষয় টি জানতে পারেন এবং উক্ত কোর্টের কাগজ পত্র সংগ্রহ করে মোকাম পটুয়াখালীর বিজ্ঞ যুগ্ন জেলা জজ ১ম আদালত, দেং মোং নং-১১৪/২০২৪ একটি মামলা আনায়ন করে। বিজ্ঞ বিচারক বর্তমানে মামলা টি চলমান রেখে উক্ত সম্পত্তির উপরে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। তার আপন মামাতো ভাই মোঃ মাহাতাব খন্দকার কোর্ট থেকে মামলার নথি সরিয়ে ফেলার হুমকি দেয়।
উল্লেখিত ব্যক্তি তাকে সহ তার ভাই বোনদের কোর্টের নথি তাদের গায়েব করে মামলা বন্ধের পায়তারা সহ তাদের ওয়ারিশ কৃত সম্পত্তিতে অবৈধভাবে ঘরবাড়ী নির্মাণ করার পায়তারা করতেছে ইত্যাদি। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন তার ভাই মোঃ কবির খান ও মোঃ সোহাগ খান এবং বোন সাহিদা আক্তার প্রমুখ। এছাড়াও উক্ত সংবাদ সম্মেলনে এসময় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের একাধিক সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয় জানতে মোকাম পটুয়াখালীর ২য় জুগ্ন জেলা জজ আদালতের পেশকার মোঃ মাহাতাব খন্দকার এর মুঠোফোনে কল দিলে এ প্রতিবেদকের পরিচয় পেয়ে তার মুঠোফোন বন্ধ করে দেন।
পরে কয়েক বার তার মুঠোফোনে কল দিলেও প্রতিবারই তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তার পটুয়াখালী শহরের কলাতলা বাসার সামনে এ প্রতিবেদক গিয়ে তাকে খোঁজ করলে বয়োবৃদ্ধ এক নারী দরজা খুলে বলেন তিনি বাসায় নেই। তখন এ প্রতিবেদক তাকে বলেন সমস্যা নেই মাহাতাব ভাই কে একটু ডাকুন, তখন তার বাসা থেকে এক অজ্ঞাত নামা শিশু বলেন তার বাবা বাসায় আছেন ঘুমায়। এর পর মাহাতাব খন্দকার তার বাসার সামনের রুমে আসলে তার বিরুদ্ধে উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ায়’র বিষয় জানালে তিনি বলেন সে কোর্টে চাকরি করেন বিজ্ঞ বিচারক বৃন্দদের অনুমতি ছাড়া এ প্রতিবেদক কে কোন ও বক্তব্য দিতে পারবেন না।
এজন্য তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। শুক্র বার দিন কোর্ট বন্ধ থাকায় মোকাম পটুয়াখালীর ২য় জুগ্ন জেলা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।