ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির ১১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
পঞ্চগড়ের বোদায় গুম, খুন, ছিনতাই, ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ফুলবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী
চাঁদাবাজির অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ
রাজধানীর’ খেতাপুড়ি ‘দখল করেছে পটুয়াখালীর ঝাউবন
ঝিকরগাছায় কিশোরকে বস্তা কিনতে পাঠিয়ে ভ্যান নিয়ে চম্পট
১৭ বৎসর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি ,দরকার হলে আবারো নামা হবে: আজিজুল বারী হেলাল
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়

মেলান্দহে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা বলতেই অফিস সহায়ক ‘নায়েব আলী’

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ৫নং নয়ানগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা বলতেই অফিস সহায়ক নায়েব আলী। নায়েব আলী ভূমি অফিস নিয়ন্ত্রণ করেন বলে অভিযোগ করেন উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নায়েব আলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক পদে চাকুরী করলেও পুরো অফিসের নিয়ন্ত্রণ তার হাতে। ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাই চলে তার ইশারায়।নামজারী থেকে শুরু করে সকল সেবায় তিনি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন । সরকার নির্ধারিত ফ্রী ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেন নামজারি করতে। আরোও জানা যায় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার পদটি স্থানীয়দের নিকট পরিচিত নায়েব নামে।এদিকে অভিযুক্ত অফিস সহায়কের নাম নায়েব আলী। লোকে ডাকে নায়েব নামে।দীর্ঘদিন একই অফিসে চাকুরী করায় স্থানীয়দের নিকট নায়েব নামেই পরিচিত।যেকোন সেবার জন্য দারস্থ হন অভিযুক্ত নায়েব আলীর নিকট।ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাও দেখিয়ে দেন নায়েব আলীকে।সে সুযোগে হাতিয়ে নেন অতিরিক্ত অর্থ । ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে পর্চা দেওয়ার নিয়ম নেই।কিন্তু নায়েব আলী ১০০-২০০ টাকার বিনিময়ে বিআরএস পর্চার ফটোকপি বিক্রি করেন। সরেজমিনে দেখা যায়, অফিস সময় শেষ হলে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা অফিস থেকে চলে যান।তখন একাই জনসাধারণকে অর্থের বিনিময়ে অফিসে বসে সেবা দেন অভিযুক্ত অফিস সহায়ক নায়েব আলী।

নয়ানগর গ্রামের সোনামিয়া বলেন,এক বছর পূর্বে নামজারি করতে দেয় নায়েব আলীর মাধ্যমে। নামজারি করতে টাকা নেন ৫ হাজার টাকা।নামজারি পাশ হলে তার নিকট নামজারির কাগজ নিতে আসলে দাবি করেন আরও এক হাজার টাকা।টাকা দিতে না পারায় কাগজ দেয়নি সে।দুইদিন পর টাকা দিলেও কাগজ দেয়নি নায়েব আলী। নায়েব আলী বলেন কাগজ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা।সময় মতো কাগজ না নেওয়ায় এ অবস্থা।এভাবে ঘুরতে ঘুরতে সময় পার হয়েছে এক বছর।

উত্তর আদিপৈত এলাকার আলামিন বলেন,নামজারি করতে আসলে ১০ শতাংশ ভূমির জন্য টাকা দাবি করেন ২০ হাজার টাকা ।ধর কষাকষির এক পর্যায়ে ১৫ হাজার টাকা নেন।টাকা দেওয়ার ১ মাস পর নামজারির কাগজ হাতে পেয়েছি।

উপজেলা ভূমি অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রায় সময় নায়েব আলীকে নিয়ে বিব্রতবোধ হতে হয়।তার বিরুদ্ধে অনেকেই বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে অফিসে আসে।তখন নিজেদেরই খারাপ লাগে।নায়েব আলীকে এ নিয়ে সতর্কও করা হয়েছে।

উপজেলা ভূমি অফিস সুত্রে জানা যায়, ৯ই জুন রবিবার নয়ানগর এলাকার মোজাম্মেল নামে এক ব্যক্তি নায়েব আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। মেলান্দহ উপজেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনীম জাহান বলেন, অভিযোগ পেলে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুনঃ