
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ওসির বিরুদ্ধে রাতে থানার সামনে অবস্থান ও সকালে তাকে প্রত্যাহারের দাবীতে ঝাড়ু মিছিল জনতার। জানা গেছে, কলাপাড়া থানার ওসির বিরুদ্ধে ৯জুন রবিবার গভীর রাতে এ থানার সামনেই অবস্থান নিয়েছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা পারভীন সীমা সহ তাদের কর্মী -সমার্থক বৃন্দরা। এসময় তাদের সাথে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী এ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বড় ভাই আবদুল্লাহ আল ইসলাম লিটন। সুত্রে আরও জানা গেছে,
তাদের দাবী,মিথ্যা ও সাজানো মামলায় তাদের এক কর্মীকে থানায় আটক করা হয়েছে।ওই কর্মী সারাদিন তাদের সাথেই ছিলো। যদি ওই কর্মী অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে তারাও অপরাধী হয় তাদেরকেও গ্রেফতার করা হোক নয়তো তাদের ওই কর্মীকে মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হোক। কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা পারভীন সীমা গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ঐ রাতেই
বলেন, কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর সকলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য রবিবার সন্ধ্যায় পাখিমারা বাজারে যান। তাকে দেখে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা রহমান তালুকদার অফিস তালাবদ্ধ করে রাখেন। এতে তার সমর্থকদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি নিয়ে অফিস ও ঘরবাড়ি ভাঙ্গচুরের মিথ্যা মামলা করা হয়। এসকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ গ্রেফতারকৃত কর্মীদের মুক্তির দাবী করেন তারা। এদিকে ১০ জুন সোমবার সকালে কলাপাড়া পৌর শহরে এ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও তার উক্ত বড় ভাই এর নেতৃত্বে কলাপাড়া থানার ওসির প্রত্যাহারের দাবীতে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এ বিষয় জানতে বর্তমান কলাপাড়া উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা পারভীন সীমা এর মুঠোফোনে কয়েক বার এ প্রতিবেদক ফোন দিলে ও তিনি ফোন কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয় জানতে কলাপাড়ার থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) আলী আহম্মেদ এর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি সকালের খবর নিউজ পোর্টাল কে বলেন, আন্দোলনকারী গন এজাহার ভুক্ত মামলার এক আসামীকে ছাড়িয়ে নিতে মরিয়া হয়ে তারা গতকাল রাতে থানার সামনে অবস্থান করেছেন এবং সকালে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। তিনি একপর্যায়ে এজাহার ভুক্ত মামলার আসামীকে ছাড়া যায় এ প্রতিবেদকের প্রতি এ প্রশ্ন ছুরে দিয়ে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।