ঢাকা, শনিবার, ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ
দেওয়ানগঞ্জে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ বাবা মৃত্যু
নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঈদ পুনর্মিলনী
জামায়াতে ইসলামীতে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই:রফিকুল ইসলাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে
ভূরুঙ্গামারীতে মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র সম্মেলনের উদ্বোধন
বিরামপুরে আগ্নিকান্ডে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ডা. শহিদুল আলমের মতবিনিময়
পঞ্চগড় সড়কে বিআরটিএ ও যৌথবাহিনীর অভিযান

কিশোররাই হবে’কিশোর গ্যাং’য়ের বিরুদ্ধে আরেকটি বড় শক্তি:ডিএমপি কমিশনার

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন,কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে, কথা বলতে হবে। কিশোররাই হবে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরেকটি বড় শক্তি। তাহলে সমাজে কিশোর গ্যাং কমে যাবে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুরে শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ডিএমপি এবং জাইকার উদ্দ্যোগে পরিচালিত ডিআরএসপি প্রজেক্টের’রোড সেফটি পোস্টার অ্যান্ড স্লোগান কনটেস্ট-২০২৪’এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন,কিশোর কখনো’গ্যাং’নয়। কয়েকজন কিশোর একসঙ্গে মিলে সঙ্ঘবদ্ধভাবে খারাপ কাজ করলে তখন তাকে’গ্যাং’বলা হয়। আজকের কিশোররাই আগামীদিনের বাংলাদেশ। এই কিশোররা খারাপ কাজ করতে পারে না। কিশোররা আইন অমান্য করতে পারে না। আজকের শিক্ষার্থীরা সচেতন হলে সমাজে মাদক থাকবে না।

পোস্টার-স্লোগানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন,শুধুমাত্র পোস্টার-স্লোগানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না শিক্ষার্থীরা। তারা স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকলকে ট্রাফিক আইন মানার বিষয়ে সচেতন করে তুলবে।

তিনি বলেন,পৃথিবীতে পশুদের জন্য কোনো আইন নেই। কিন্তু মানুষের জন্য আইন আছে। সেসব আইন মান্য করার জন্যই মানুষের জন্য আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। কিন্তু আমরা প্রতিদিন প্রতিনিয়ত রাস্তাঘাটে আইন অমান্যের প্রতিযোগিতা করি। কে কত বেশি আইন অমান্য করতে পারে সেটা তার ক্রেডিট বলে অনেকেই মনে করেন। শিক্ষিত-অশিক্ষিত প্রায় সবাইকে আইন অমান্য করতে দেখি। ট্রাফিক আইন সবার আইন মানা উচিত।

ট্রাফিক সমস্যার কারণে একজন মুমূর্ষু রোগীকে সময় মতো হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারছি না। পাশাপাশি রোগীর গাড়ি দ্রুততম সময়ে হাসপাতালে যেতে যেয়ে রোগী মারা যাচ্ছে,এমন ঘটনাও ঘটছে। সেই বাস্তবতার প্রেক্ষিতে সবাইকে জেগে উঠতে হবে।

হাবিবুর রহমান বলেন,সড়কে আইন মানার ক্ষেত্রে সবার আগে শিক্ষার্থীদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহপাঠিদের বলবো ট্রাফিক আইন মেনে চলতে। শিক্ষার্থীদের পরিবার থেকে শুরু করতে হবে। মা-বাবাকে বলবো ট্রাফিক আইন মেনে সড়কে চলাচল করতে। যে গারিচালক আছে তাকে বলবো দ্রুত কোথাও যাওয়ার জন্য ট্রাফিক আইন অমান্য না করে। দ্রুত কোথাও যেতে গাড়িচালক আমার ও পথচারী অথবা অন্য গাড়িতে থাকা যাত্রীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারেন।

এক একজন শিক্ষার্থী ট্রাফিকের অ্যাম্বাসেডর হয়ে কাজ করবে। যাতে করে তার আশেপাশে সবাইকে তিনি ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন করতে পারেন বলেও উল্লেখ করেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো.মুনিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাইকা বাংলাদেশ অফিসে চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিসার তমোহিদ ইছিগুছি,ঢাকা রোড ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টের (ডিআরএসপি) প্রজেক্ট লিডার ইয়োশিহিসা আসাদা। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনা করেন ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) (ট্রাফিক-অ্যাডমিন অ্যান্ড রিসার্চ) ও ঢাকা রোড ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো.জাহাঙ্গীর আলম।

ডিআই/এসকে

শেয়ার করুনঃ