
প্রবল ঘূর্নিঝড় “রেমাল” এর আঘাতে পটুয়াখালী জেলার অনেকের বসত বাড়ি-ঘর, গাছ পালা ও স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এদিকে উক্ত ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত থেকে রেহাই পায়নি পটুুয়াখালী সদর উপজেলার অধ্যক্ষ সাইয়েদ আহাম্মাদ কলেজ টি। দেখা গেছে , ঘুর্নিঝড় “রেমাল” এর তান্ডবে এ কলেজের দু’টি ভবনের ৯ টি কক্ষের চালের টিন ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেছে। ফলে কলেজের শিক্ষক বৃন্দরা ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস করাতে না পাড়ায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা পড়েছেন চরম দূর্ভোগে। ঘুর্নিঝড় “রেমাল” কান্ডে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টির যে অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে তা স্বচোখে না দেখলে বোজার উপায় নাই। আরও জানা গেছে,উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি অধ্যক্ষ সাইয়েদ আহাম্মাদ ২০০২ সালে স্থাপিত করেন।এ কলেজে প্রায় ২৫২ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। দীর্ঘ ২২ বছর বিনা বেতনে এ কলেজটিতে অজপাড়াগাঁয়ের ছাত্র ছাত্রীদের কৃতিত্বের সাথে পাঠদান দেয়া হয়েছে। তারপরে ২০২২ সালে উক্ত কলেজ টি এমপিও ভুক্ত হয়েছে। সাইয়েদ আহাম্মাদ কলেজ’র প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ সাইয়েদ আহাম্মাদ বলেন, নন এমপিও ভুক্ত এই কলেজটি সুনামের সাথে ২২ টি বছর টিকেয়ে রাখা খুবই কষ্টকর ছিল। পরে২০ ২২ সালে এমপিও ভুক্ত হয়। তিনি আরও বলেন, ঘুর্নিঝড় “রেমাল” এর আঘাতে তার কলেজের অনেক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ত্রান তহবিল থেকে যদি কোনো সহযোগীতা না আসে তাহলে অত্র প্রতিষ্ঠান টির অবকাঠামো দার করানো তার পক্ষে সম্ভব নয়।