
পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় র্ঘূণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে কয়েক শতাধিক কাঁচা ও পাকা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। গাছপালা, সড়ক, বিদ্যু , মাছের ঘেরে ব্যাপক ক্ষতিসহ বসতঘরে গাছ পড়ে মৃত্যু হয়েছে জয়নাল হাওলাদার (৭০) নামের এক বৃদ্ধের উপজেলার পাঙ্গা শিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওর্য়াডের নলদোয়া নী স্লুইসগেট এলাকায় তার মৃত্যু হয়।পাঙ্গা শিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যন অ্যাডভোকেট গাজী নজরুল ইসলাম জানান, র্ঘূণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে প্রচণ্ড বেগে ঝড়ো হাওয়ার সময় হঠা দু’ টি বড় বড় চাম্বল গাছ জয়নাল হাওলাদারের টিনের ঘরের ওপ র পড়লে
ঘরের মধ্যে চাপা পড়ে তা ক্ষণিক তার মৃত্যু হয়। বসতঘরটি দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। র্ঘূণিঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার মুরাদিয়া, পাঙ্গাসিয়া, লেবুখালী, শ্রীরামপুর, আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের অনেক জায়গায় পানি উন্নয়ন র্বোডের ওয়াপদা বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে অনেক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দী হয়ে রয়েছে অনেক পরিবার। ঝড়ের তাণ্ডবে বিদ্যুতের খুটি ভেঙে তার ছিড়ে বিদ্যু হীন রয়েছে পুরো উপজেলা। মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গিয়েছে। উপজেলায় বিদ্যু না থাকায় কারো সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। দুমকি উপজেলা র্নিবাহী অফিসার মোঃ শাহিন মাহমুদ জানান, উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন শ্রীরামপুর, লেবুখালী, মুরাদিয়া, আঙ্গারিয়া এবং পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, অনেক স্থানে বেড়িবাধ ভেঙে লোকালয়ে পানি বন্দী হয়ে রয়েছে ২’শ’র বেশি পরিবার। একজন বৃদ্ধ মারা গিয়েছে তার পরিবারকে ২০ হাজার টাকা সহায়তা করা হয়েছে। পানিবন্দি মানুষদের শুকনা খাবার এবং রান্না করে খাবার দেওয়া হয়েছে। পটুয়াখালী-১ আসনের এমপি আলহাজ্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন
হাওলাদার মৃত ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে নগদ র্অথ সহায়ত ও পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়েছেন।