
পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলা পরিষদ র্নিবাচনের চেয়ারম্যান র্প্রাথী অ্যাডভোকেট মোঃ মেহেদী হাসান মিজান’র র্নিবাচনী ইশতেহার ঘোষনা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।দুমকীর লেবুখালীর দি- বিরতি রেস্টুরেন্ট, পায়রা শপিং কমপ্লেক্সে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় র্স্মাট, উন্নত ও মানবিক দুমকী বির্নিমাণের রুপরেখা ঘোষণা করা হয় চেয়ারম্যান র্প্রাথী মোঃ মেহেদী হাসান মিজান ( আনারস)’র পক্ষ থেকে। উক্ত র্প্রাথীর র্নিবাচনী ইশতেহারে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে তা নিম্ন তুলে ধরা হল, (১) ২৫০ কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি ও ৭৫০ জন
মেধাবী শির্ক্ষাথীকে উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ ও র্কমসংস্থান তৈরির মাধ্যমে নারী -পুরুষ সকলের বেকারত্ব দূরীকরণ, দুমকী বাজার খালকে স্বরূপে ফিরিয়ে আনা।বিদেশগামী তরুণদের কারিগরি ও ভাষাসহ বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্হা গ্রহন। (৮)পায়রা বন্দর, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ও পটুয়াখালীতে প্রস্তাবিত ইপিজেড-এর সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠান তৈরিতে দেশি- বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মতো সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহন।(৯)নারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে সেলাই ও হস্তশিল্প, মাছ ও সবজি চাষ, হাঁস-মুরগি-গরু-ছাগল পালনে দক্ষ করে তোলার ব্যবস্হাগ্রহন। (১০) নারীদের কষ্ট লাঘবে প্রতি বাডি়তে একটি করে টিউবয়েল, বিনামূল্যে বন্ধু চুলা সরবরাহ ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করার ব্যবস্হা গ্রহন। (১১) দেশজুডে় উন্নয়নের অভিযাত্রায় দুমকী উপজেলাকে অর্ন্তভুক্ত করে সমৃদ্ধ করার লক্ষে বাংলাদেশ সরকারের ‘গ্রাম হবে শহর’ প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের মতামত নিয়ে একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং স্বচ্ছতার সাথে প্রকল্পের শতভাগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সড়ক, সেতু, কালর্ভাট ও অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করতে উদ্যোগ গ্রহণ। (১২) ফায়ার স্টেশন ও বিদ্যুতের
সাবস্টেশন স্থাপন, উপজেলার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা আধুনিক করার পাশাপাশি র্বজ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট বসানো এবং দুমকী বাজার খালকেও স্বরুপে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্হা গ্রহন।(১৩) ডিজিটাল থেকে র্স্মাট বাংলাদেশে উত্তরণের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত র্স্মাট সোনার বাংলা হিসেবে গডে় তোলায় সরকারের প্রত্যয়ের সাথে মিল রেখে দুমকীকে একটি র্স্মাট উপজেলা করা। (১৪) দুমকীর নারী-পুরুষ-তরুণ-বৃদ্ধ সকলের সুষম উন্নয়নে পদক্ষেপ উপজেলা হিসেবে এর নাগরিক, সমাজ, র্অথনীতি ও প্রশাসনকে আধুনিক এবং প্রযুক্তি সচেতন র্অথা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশেষ র্কমসূচি গ্রহণ। (১৫) র্স্মাট বাংলাদেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে তরুণ ও যুবকদের গড়তে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে র্অথ উর্পাজনের ব্যবস্থা
গ্রহন। (১৬) উপজেলার ৫টা ইউনিয়নে উদ্যোগ গ্রহণ। (১৭) দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে চিকি সার জন্য গ্রামে গ্রামে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প করা এবং সদর ইউনিয়ন ছাড়া বাকি ৪টি ইউনিয়নে ৪টি কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্র চালু করার ব্যবস্হা গ্রহণ।(১৮) সেবা প্রদানে এতিম, বিধবা, মিসকিন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ও মানসিক ভারসাম্যহীনকে গুরুত্ব দেয়ার ব্যবস্হা গ্রহন। এমনকি উক্ত র্প্রাথীর র্নিবাচনী ইশতেহারে বাদ যায়নি সমাজের অসহায় ও প্রবীণদের কল্যাণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের কথাও বলেন। সম্মেলনে প্রতিটা ইউনিয়ন থেকে প্রতি বছর ৩০ শির্ক্ষাথীকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে মেধাবৃত্তি প্রদান এবং আগামী পাঁচ বছরে এ জনপদ থেকে ৭৫০ জন তরুন মেধাবী শির্ক্ষাথীর উচ্চ শিক্ষার দ্বার উন্মোচন করার ব্যবস্হা গ্রহন। গ্রামের মেধাবী শির্ক্ষাথীদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে অধ্যয়ন এবং র্ভতি ও নিয়োগ পরীক্ষার সময় ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে র্সাবিক সহযোগিতা তার পক্ষে ইশতেহার পাঠ করেন মো. তরিকুল ইসলাম মনির।