
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার সকাল দশটায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ভাঙ্গা গোল চত্বর এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস রোড থেকে মাদ্রাসা পড়ুয়া এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করার ঘটনায় তাদের আটক করা হয়।
আটককৃত আসামীর ভাঙ্গা থানার গোয়ালদ গ্রামের তালেম মিয়ার পুত্র মুন্না মিয়া(২০),পুর্ব হাসামদিয়া গ্রামের মুন্সি শেখের পুত্র তাহাসিন মুন্সি (১৯) এবং পাচকুল গ্রামের আব্দুল খালেক মোল্লার পুত্র সাইফুর রহমান সুজন(২১)।
জানা যায় গত ৩১শে মে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী (১৫) তার এক সঙ্গী নিয়ে
ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ইন্টারসেকশনে ভ্যানযোগে ঘুরতে আসে। পেছন থেকে
মোটরসাইকেল তিন জন এসে ভ্যানের গতিরোধ করে কিশোরী সাথে থাকা সঙ্গীকে মারধর করেরাস্তার পাশে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করলে ভাঙ্গা থানার টহল পুলিশ কিশোরীর সঙ্গীর কাছ থেকে ঘটনা শুনে তাকে উদ্ধার করে।
ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গ্রেফতার করা হয়,পরবর্তীতে গ্রেফতার কৃত আসামীর কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নিয়ে বাকি দুই জনকে গ্রেফতার করেন।এই ঘটনার সাথে জড়িত রাজু মোল্লা (২২), পিতা -লাভলু মোল্লা, গ্রাম- রামনকান্দা,থানা -ভাঙ্গা, জেলা- ফরিদপুর এখনো পলাতক রয়েছে।
উক্ত ঘটনায় কিশোরীর মা রিনা বেগম (৩৬), স্বামী- আমির হোসেন, গ্রাম -খাড়াকান্দি, পোস্ট -দত্তপাড়া,থানা- শিবচর, জেলা-মাদারীপুর বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন ধারায় মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখিত ধর্ষণের চেষ্টায় গ্রেফতারকৃত তিনজন ব্যক্তিদের সম্বন্ধে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ বলেন গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত সাইফুর রহমান সুজন ভাঙ্গা উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক মোল্লার ছেলে। গ্রেফতারকৃত তিনজনকে ফরিদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়। এ বিষয়ে ফরিদপুর আদালত কর্তৃক আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।