ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ
দেওয়ানগঞ্জে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ বাবা মৃত্যু
নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঈদ পুনর্মিলনী
জামায়াতে ইসলামীতে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই:রফিকুল ইসলাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে
ভূরুঙ্গামারীতে মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র সম্মেলনের উদ্বোধন
বিরামপুরে আগ্নিকান্ডে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই

গণপূর্তের স্বাস্থ্যখাতের লুটপাটের হোতা খাইরুলের খুটির জোর কোথায়?

একই দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হয়েছেন ২০১৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি। সেই থেকেই একই দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। অনিয়ম,দুর্নীতি ও লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছেন গণপূর্তের হেলথ উইংকে। তারপরেও তিনি বহাল তবিয়তেই রয়েছেন।

বুয়েটে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়া খাইরুল আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের পছন্দের তালিকায় থেকে অনিয়মের সকল রেকর্ড ভেঙ্গেছেন। দুর্নীতিবাজ খাইরুল ইসলাম লালমনিরহাটে অনিয়ম ও দুর্নীতি করতে গিয়ে সেখানের স্থানীয় লোকের হাতে গণপিটুনি খেয়েছিলেন। সেই গণপিটুনিই তার জন্য শাপে বর হয়ে ধরা দিয়েছে। সেখান থেকে তাকে মুন্সীগঞ্জে বদলি করা হয়েছিল। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অদক্ষতা ও দুর্নীতির কারনে সেখানেও থাকতে পারেননি বেশি দিন। এরপর তাকে নিয়ে নিয়ে আসা হয় গণপূর্তের প্রধান কার্যালয়ে।

প্রধান প্রকৌশলীর স্টাফ অফিসারের মতো নন টেকনিক্যাল কাজ করেই পদোন্নতি বাগিয়ে নেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে। সেখান থেকেই পদোন্নতি পেয়ে হন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী। ঘুরে ফিরে একই দপ্তরে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণ ও রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে থাকে গণপূর্ত অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্যখাতের কাজগুলো করার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরে স্বাস্থ্য উইং বলে একটি শাখা রয়েছে। যার নেতৃত্বে রয়েছেন একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী। খাইরুলের আগে এই পদে কেউ দুই আড়াই বছরের বেশি সময় থাকতে পারেননি। কিন্তু এতোসব অনিয়ম ও দুর্নীতি করেও কোন যাদুবলে তিনি সাড়ে পাঁচ বছর সময় একই পদে থাকছেন তা একটা রহস্যই বটে। খাইরুলের দায়িত্ব পালন কালেই বহুল আলোচিত ঠিকাদার জি কে শামীম কেলেংঙ্কারি ঘটলেও ঘটনাক্রমে তিনি ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে যান।

জিকে শামীমের ঠিকাদারী কাজ বাতিলের পরও যে ১০ কোটি টাকার বিল দেয়া হয়েছে তার অন্যতম হোতা এই খাইরুল। ওই বিল দেয়া যাবে কি-না তার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল যার নেতৃত্বে ছিল খাইরুল এবং তিনিই এই বিল পরিশোধের সুপারিশ করে। স্বাস্থ্যখাতের ১৩৮ এর বরাদ্দ,বার্ষিক ওয়ার্ক প্ল্যান বা ওপির বরাদ্দের নয়-ছয় করেন এই খাইরুল ইসলাম। তার সহযোগী পিচ্ছি শাহজাহানকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন একটি সিন্ডিকেট। তাদের রয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানও। আর এ কারনে স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজনীয় খাতে বরাদ্দ না দিয়ে খাইরুল সব সময় অপ্রয়োজনীয় খাতে বরাদ্দের জন্য চেষ্টা করেন। যার কাজ না করেই লুটেপুটে খাওয়া যায়।

এই বিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুনঃ