ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
নড়াইলে বিএনপি নেতা সান্টুর উপর ককটেল হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ
লাখো পর্যটকের সমাগম কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে। শতভাগ হোটেল মোটেল বুকিং
আমতলীতে কুপিয়ে স্ত্রীর হাত কর্তন করলেন নেশাগ্রস্থ স্বামী
হোমনায় যুবকের ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধার
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে মোদির সঙ্গে কথা বললেন ড. ইউনূস
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
ঈদ পরবর্তী বিআরটিএর বিশেষ অভিযান: ৬ লাখ ৮৭ হাজার জরিমানা,২৮৯ মামলা
রায়পুরে আ’লীগ বিএনপির যৌথ হামলায় নারীসহ আহত ৫
পাঁচবিবিতে শিক্ষার্থী সমিতির স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন
মহানবী সাঃ কে নিয়ে কটুক্তি করার প্রতিবাদে ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল
ভোলায় হাতবোমা-মাদকসহ ৫ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আটক
নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনায় দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১২
নেত্রকোণা সরকারি কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
রামুর ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া ফইজুল উলুম মাদ্রাসার মিলন মেলা বর্ণঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন

ঘূর্ণিঝড় রিমালে’র প্রকোপে আতংকিত পিরোজপুরের নদীতীরবর্তী এলাকার জনগণ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড় রিমাল ঘূর্নিঝড়ে রূপ নেওয়ায় প্রভাব পড়তে শুরু করেছে উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরে। শনিবার (২৫ মে) সকাল থেকে মেঘলা আকাশ ও ভ্যাপসা গরম পড়ছে। যার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। দুপুর থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। কঁচা, বলেশ্বর, কালীগঙ্গাসহ বিভিন্ন নদীর পানি জোয়ারে এক থেকে দেড় ফুট বেড়েছে। উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা বাড়ছে উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরের পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের মধ্যে। পিরোজপুরের হুলারহার নদীবন্দর এলাকাসহ পাশ্ববর্তী এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এছাড়াও জেলার ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা মঠবাড়িয়ার মাঝেরচর, বড়মাছুয়া, সাপলেজা ও ইন্দুরকানী উপজেলার সাঈদখালীর চর এলাকায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অন্যদিকে ভান্ডারিয়া ও কাউখালী উপজেলার নদীতীরবর্তী এলাকায় একই অবস্থা বিরাজ করছে। এসব এলাকার অনেকেই সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে জেলা প্রশাসন উপকূল এলাকার মানুষকে সরিয়ে নিতে চেষ্টা করছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় জেলার ৭টি উপজেলায় ৩৯৫টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও শুকনো খাবার মজুদ রাখা হয়েছে। এখানে সাইক্লোন শেল্টারে প্রায় ২ লাখ মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। ৭ উপজেলায় ৬০টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া সিপিবির ৭ হাজার ২০০ এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ২৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব স্বেচ্ছাসেবক উপকূল এলাকায় মাইকিং করাসহ তাঁদের কার্যক্রম শুরু করেছে। এ দিকে হুলারহাট নদীবন্দর এলাকায় হুলারহাট স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ শুরু করছে। তবে টেকসই বেড়িবাঁধ না থাকায় নদী তীরবর্তী মানুষের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। এ জেলায় ৩৩৯ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৪৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ অরক্ষিত রয়েছে। সবচেয়ে আতঙ্কের মধ্যে আছে মঠবাড়িয়া, ভান্ডারিয়া ও ইন্দুরকানী উপকূল এলাকার লোকজন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপকূলীয় এলাকায় মানুষের তুলনায় আশ্রয়কেন্দ্র কম। এছাড়াও অনেক আশ্রয়কেন্দ্রে নেই বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা।

শেয়ার করুনঃ