
উন্নয়ন ও সর্বসাধারনের পর্যাপ্ত সুবিধা প্রাপ্তির স্বার্থে উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়ন ভাগ করে (গুলিশাখালী, আঙ্গুলকাটা- খেকুয়ানী )নামে দুটি ইউনিয়ন ইউনিয়ন করার দাবীতে শনিবার বেলা ১১ টায় খেকুয়ানী বাজারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গুলিশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো. আব্দুস সোবহান লিটনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ওহাব মুন্সী , মো. মামুন মৃধা, মনির তালুকদারসহ স্থাণীয় গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ। মানববন্ধনে ইউনিয়নের সহ্রাদিক মানুষ অংশ গ্রহন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,গুলিশাখালী ইউনিয়ন ৫০,৫৯ বর্গ কি.মি ৬টি মৌজা ১৪টি গ্রাম নিয়ে গঠিত বর্তমান জনসংখ্যা
প্রায় ৪০ হাজার। গুলিশাখালী ইউনিয়ন ভাগ করে (গুলিশাখালী, আঙ্গুলকাটা- খেকুয়ানী )নামে দুটি ইউনিয়ন ইউনিয়ন করার দাবী
জানিয়েছেন ইউনিয়নের বাসিন্ধারা। বিশাল এ ইউনিয়নটিতে পর্যাপ্ত সেবা,বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিতে ইউপি চেয়ারম্যান দ্বিধায় পড়ে যান,কাকে বঞ্চিত করবেন আর কাকে দিবেন। অনেক সময় ভিজিডি বা বিভিন্ন কার্ড বিতরনেও দ্বিধায় পড়তে হয় আবার বঞ্চিত এক শ্রেণির মানুষের গালি বা বদনামও শুনতে হয় জন প্রতিনিধিদের।আর এরই প্রেক্ষিতে ইউনিয়নের সচেতন মহলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের দাবী গুলিশাখালী ইউনিয়নকে ভেঙ্গে আলাদা ০২টি ইউনিয়ন করলে জনগণের সুবিধা বা সেবা প্রাপ্তির হার বেড়ে যাবে।গুলিশাখালী আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি মো.আব্দুস সোবহান লিটন বলেন. গুলিশাখালী ইউনিয়ন চার দিকে নদী বেষ্টিত একটি বড় ইউনিয়ন এই ইউনিয়ন টিতে একজন চেয়ারম্যানের পক্ষে নাগরিক সেবা দেয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।উন্নয়নের স্বার্থে ইউনিয়নটিকে ভাগ করে দুটি ইউনিয়ন করলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মাট বাংলাদেশ গড়তে সুবিদা হবে। আমতলীর গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড ঃ এইচ এম মনিরুল ইসলাম বলেন ইউনিয়ন ভাগ হলে ভাল হয়। আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আশরাফুল আলম বলেন,জনসাধারনের দাবী যাছাই বাছাই করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, জনসাধারনের এ দাবীর কথা যাচাই বাছাই করে মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হবে।