
পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাচনের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মোসাঃ ফৌজিয়া ইয়াসমিন (কলস)’র বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ মে বৃহস্পতিবার বিকালে পটুয়াখালী চৌরাস্তা এলাকায় এ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পটুয়াখালীর মাদারবুনিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোশফিকুর রহমান (মিলন মাঝি)। তিনি তাঁর বক্তব্য বলেন, গত দুই বছর ধরে পারিবারিক কলহ চলে আসছে।
তার ধারাবাহিকতায় মোসাঃ ফৌজিয়া ইয়াসমিন সহ তার দুই ছেলে ইতিমধ্যে তার উপর নানা প্রকার নির্যাতন চালিয়ে তাকে ঘর থেকে এক কাপড়ে বের করে দেয়। এ নিয়ে উভয়ই মামলা মোকদ্দমা পর্যন্ত করেন।মোসাঃফৌজিয়া ইয়াসমিন তাঁর অর্থ আত্নসাৎ করে সুদের ব্যবসা করছেন, তাকে বাসায় উঠতে দিচ্ছে না তাও তিনি সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন। মাদারবুনিয়া ইউপির চেয়ারম্যান উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে আরও বলেন, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোসাঃ ফৌজিয়া ইয়াসমিন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন।
কিন্ত তিনি তখন তাকে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে দেয়নি।তার পর থেকেই তিনি তাঁর ও তাঁর বাবা এবং ভাই সহ অন্যান্য আত্নীয় স্বজনদের রোশানালে পড়েন। তাকে বিতাড়িত করে এবার আসন্ন ২৯ মে অনুষ্ঠিতব্য পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাচনে সে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। মোসাঃ ফৌজিয়া ইয়াসমিন নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন তাতে তাঁর প্রার্থীতা বৈধ থাকার কথা না বলেও তিনি এসময় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উদ্যােশ্য প্রশ্ন ছুরে দেন।
এছাড়াও তিনি এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এ দেশে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আইন আছে কিন্ত পুরুষ নির্যাতনে আইন নেই এবং পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাচনের উক্ত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে ভোটদান থেকে এ উপজেলার সকল ভোটারদের বিরত থাকার আহবান জানান। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন রাজনীতিবীদ এইচ এম জাফর,ব্যবসায়ী মোঃ দেলোয়ার ও শ্রমিক নেতা মোঃ সানু প্রমুখ।
এবিষয় জানতে পটুুুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাচনের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মোসাঃ ফৌজিয়া ইয়াসমিন’র মুঠোফোনে কয়েক বার ফোন করা হলে তাঁর ফোন কল ব্যাস্ত পাওয়া যায়। তারপরেও তাঁর ফোনে কল দিলেও তিনি ফোন কল রিসিভ এবং ফোন কল ব্যক না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।