
মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।নোটিশে দলীয় ‘শৃঙ্খলা ভঙ্গের’ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাকে জানাতে বলা হয়েছে।
বুধবার (১৫ মে) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।চিঠিতে লেখা রয়েছে, সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত আপনার বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাবমুর্তি ক্ষুর্ণ হয়েছে এবং তা সংগঠনের রীতিনীতি ও আদর্শ পরিপন্থী। শিষ্টাচার বহির্ভূতভাবে প্রদত্ত আপনার বক্তব্য সংগঠনের শৃঙ্খলাবিরোধী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আপনার বিরুদ্ধে কেনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না, তার ব্যাখ্যাসহ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এমপির রাজনৈতিক কার্যালয়ের প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
যোগাযোগ করা হলে মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একটি অনুষ্ঠানে অনাকাঙ্খিত একটি বক্তব্যের জন্য আমাকে কেন্দ্র থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। আমি খুব শিগগির নোটিশের জবাব দিব।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ এপ্রিল বিকালে মিরসরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আতাউর রহমানের ঘোড়া প্রতীকের সমর্থনে বড়তাকিয়া ইভা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া।বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমরা গত ৭ জানুয়ারি শেষ হওয়া সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রিয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সুযোগ্য সন্তান মাহবুব উর রহমান রুহেলকে জিতানোর জন্য আমরা অনেক অপকর্ম করেছি। গত ৮ মে শেষ হওয়া উপজেলা পরিইষদ নির্বাচনে কোন অপকর্ম ছাড়া ভোট কেন্দ্র খোলা রাখবো’ বলে বক্তব্য রাখেন। বিষয়টি ভাইরাল হলে আমলে নিয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান (শোকজ) করে।