ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গ্রেফতার
কলমাকান্দায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার পলাতক অলি আহমেদ
নেত্রকোণা সরকারী কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
ভারতীয় মিডিয়া গুজবে চ্যাম্পিয়ন:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জিয়ার শ্রদ্ধা স্মারক সরিয়ে ফেলার অপকর্মে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনুন:জাসাস
কালিগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী 
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬
আমতলীতে বাস ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত দুই
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নোয়াখালীর আহবায়ক রনি,সচিব দ্বীপ
নওগাঁতে আলোকিত পত্রিকা’র প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী পালিত
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব:আনসার বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা
জেলে থাকা আ’লীগ নেতাকর্মীদের নামে ঈদ বোনাস পাঠালেন সাবেক এমপি তুহিন
কালীগঞ্জে এতিম মেয়ের বিয়েতে একতা যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার অর্থ সহায়তা
অসুস্থ সন্তানকে বাচাঁতে স্বামীর অবহেলা:বিচারের আশায় আইনের দ্বারস্থ কলাপাড়ার’ রীনা’

বান্দরবানের গহিন অরণ্যে অভিযান, ৮টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার

নুরুল আলম:: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির গহিন অরণ্যে দুর্বৃত্তদের আস্তানায় হানা দিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজমের একটি ইউনিট।

বুধবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ছাগলখাইয়া এলাকার মো. হাকিম আলীর বাড়ির পূর্ব পাশে মনিরুলের পাহাড় নামক আস্তানা থেকে এসব অস্ত্র-সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি পিস্তলসহ আটটি পাহাড়ি আগ্নেয়াস্ত্র, শটগানের ১১টি গুলি, শটগানের গুলির ১০টি খোসা, একটি ধারালো অস্ত্র, দুটি বাইনোকুলার, একটি গ্যাস মাস্ক, একটি চার্জার লাইট, একটি ব্যাটারি, দুটি ওয়াকি-টকি, চার্জার দুটি, চার লিটার অ্যাসিড, এক বস্তা প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। অভিযানটি পরিচালনা করেন ঢাকার ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ ইমরান হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন অভিযানকারী দলের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা।

ওই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এটি সন্ত্রাসীদের আস্তানা। সেখানে অস্ত্রও তৈরি করত তারা। গত কদিন ধরে অনুসন্ধানের পর এই অভিযান পরিচালনা করেন। তবে খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। কিন্তু অস্ত্র-গোলাবারুদ ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম তখনই নিয়ে যেতে পারেনি সন্ত্রাসীরা।

স্থানীয়রা জানান, তাদের এই এলাকা ও আশপাশের এলাকায় আরও আস্তানা রয়েছে। আর এসব আস্তানায় শতাধিক সদস্য রয়েছে, যাদের কাছে এলাকার মানুষ জিম্মি, যারা নাইক্ষ্যংছড়ি ও রামুর পাহাড়ি জনপদগুলোতে নানা অপরাধ করে পার পাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। এই পরিস্থিতিতে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজমের বিশেষ দলটি অভিযান পরিচালনা করায় এলাকাবাসী খুবই খুশি।

শেয়ার করুনঃ