
রাজশাহীর বাগমারায় ষাঁড় লালনপালন করে লাভের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক হারুন অর রশীদ। হারুন অর রশীদ প্রামানিক নরদাশ ইউনিয়নের সুজনপালশা গ্রামের মৃত রাহাতুল্যার ছেলে। তিন বছর ধরে তিনি ফ্রিজিয়ান জাতীয় ষাঁড়টি লালন পালন করছেন।বর্তমানে প্রতিদিন ৯/১০ কেজি দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি কাঁচা ঘাষ, খৈল, ভূষি খড় খেতে দিতে হয়। গরমের সময় দিনে ৩/৪ বার গা ধুয়ে দিতে হচ্ছে। ষাঁড়টির ওজন প্রায় ৩০ মণ। এবার কুরবানি ঈদে ১৫ লক্ষ টাকায় ষাঁড়টি বিক্রয় করতে চান। এতে তিনি লাভের স্বপ্ন দেখছেন। খামারি হারুন অর রশীদ আদর করে তার নাম রেখেছেন ব্ল্যাক টাইগার।
আশপাশের লোকজন ষাঁড়টিকে একনজর দেখার জন্য ভিড় জমান। এছাড়াও তাঁর বাড়ীতে ষাঁড়টির মা সহ অপর একটি বগনা বাছুর রয়েছে। পরম আদর যত্নে গরুগুলো লালিতপালিত হচ্ছে। হারুন অর রশীদ প্রামানিকের যৌথ পরিবারের নারী- পুরুষ সদস্যরা সবাই এই গরু বাছুরের যত্ন নিয়ে থাকেন। গতকাল সোমবার সন্ধার পূর্বে সংবাদ কর্মীরা উপস্থিত হলে আশপাশের লোকজন ভিড় জমান। অনেকেই বিশালাকৃতির ষাঁড়টির সামনে সেলফি তুলতে দেখা গেছে ।
প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটিই বাগমারা উপজেলা সর্বোচ্চ ওজন ও দামের অধিকারী। গৃহকর্তা হারুন অর রশীদ প্রামানিক জানান, পরম যত্নে সন্তানের মতো আদরে ষাঁড়টিকে তিনি লালনপালন করে আসছেন। ফ্রিজিয়ান জাতীয় সাদা-কালো ডোরা ( ডাকনাম- ব্ল্যাক টাইগার) ষাঁড়টি তাঁর গোয়াল ঘর আলোকিত করে রেখেছে। যদিও আদরের ষাঁড়টি কে খদ্দেরের হাতে তুলে দিতে কষ্ট হবে তাঁর।