
সেতু যেনো মরণ ফাঁদ,সেতুর একপাশে সৃষ্টি হয়ছে বিশাল গর্তের। আবার আরেকদিকে রেলিং পুরোটাই ভেঙে গেছে। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও পথচারীরা। প্রায় এক বছর ধরে এভাবেই ধীরে ধীরে গর্ত বড় হচ্ছে।নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের হরিপুর এলাকায় কমল বিলের ওপর নির্মিত সেতুটির এই অবস্থা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সেতুটির উঠা-নামার অংশে বড়সড় গর্ত তৈরি হয়েছে। এছাড়া একপাশের রেলিং প্রায় পুরোটাই ভেঙে গেছে। সেতুটির এমন বেহাল দশায় ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয়’সহ পথচারীরা। সেইসাথে রেলিং ও সেতু ভেঙে গিয়ে বেরিয়ে গেছে রড। এই ব্রীজের ওপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত যানবাহন ও হাজারো মানুষ আসা-যাওয়া করে থাকেন। এমনকি স্কুল কলেজে পড়ুয়া প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। সেতুটির এমন বেহাল দশায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, লরি গাড়ি, মাইক্রোবাস,সিএনজি ও মোটরসাইকেল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় এক বছর পার হলেও সেতুটির কোন সংস্কার কাজ করেননি কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন এই সেতুর উপর দিয়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। এছাড়াও অনেক সময় গর্তের কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাই দ্রুত সেতু সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের।
নাজিরপুর ইউনিয়নের,হরিপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম বলেন, এই সেতুর ওপর দিয়ে লেংগুরা ও নাজিরপুর ইউনিয়নের মানুষ জেলা শহরে আসা যাওয়া করে। এছাড়া কৈলাটি ইউনিয়ন সহ আরও অন্তত ৫০টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন এ সেতুর ওপর দিয়ে। প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের যানবাহনও চলাচল করে। এই জায়গায় অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটেছে।
এবিষয়ে কথা হয় এলজিইডি কলমাকান্দা উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসনের সঙ্গে, তিনি বলেন, সেতুটি সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অনুমোদন হলে দ্রুতই কাজ শুরু হবে।কলমাকান্দা উপজেলা প্রকৌশলী শুভ্র দেব চক্রবর্তী বিদায় জনিত কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।