
রাঙ্গামাটি রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়াতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরই মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীনফোন ও টেলিটকের নেটওয়ার্ক উধাও হয়ে যায়। বিগত কয়েকমাস ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এমন সমস্যা দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন গ্রামীনফোন ও টেলিটক গ্রাহকরা।নেটওয়ার্ক কানেকশন না থাকায় যোগাযোগ বিছিন্ন হচ্ছেন গ্রাহকরা। ইন্টারনেট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারসহ অনলাইনের বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গ্রাহকরা।
গ্রামীনফোনের গ্রাহক বিভুসেন জানান বিদ্যুৎ যাওয়ার কিছু সময় পরেই গ্রামীনফোনের নেটওয়ার্ক চলে যায়। বিগত কয়েকমাস ধরে এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এর আগে এরকম হতো না।
অথচ বিদ্যুৎ গেলে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। অনেক সময় দেখায় যায় মোবাইলে নেটওয়ার্ক শো করে কিন্তু কল আসে না আবার কল দেয়াও যায় না। আমি অন্য একটি মোবাইল অপারেটরের সিমও ব্যবহার করি। তাদের এমন সমস্যা হয় না।
টেলিটক গ্রাহক উক্যাসিং মারমা জানান সেই দিন ঘূর্ণিঝড় হামুনের কারণে সারাদিন আমরা টেলিটক নেট থেকে বঞ্চিত ছিলাম কিন্তু অন্যান্য অপারেটরে নেট ছিল। এখন বেশিরভাগ মানুষজন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তাদের প্রতিদিনের অর্থ লেনদেন করে থাকেন। জরুরী মূহুর্তে যদি এমন নেট না পাওয়া যায় তাতে সাধারন মানুষ ভোগান্তির শিকার হন।
এ বিষয় কোম্পানিগুলোর হেল্পলাইনে একাধিকবার জানিয়েও কোনো প্রতিকার পায় না বলে গ্রাহকদের অভিযোগ।তাই.গ্রামীণফোন ও টেলিটক নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের একটাই দাবি। অন্যান্য অপারেটরের মতো আমরা সেবা পেতে চাই।
৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টারে সার্ভার সমস্যার কারণে সময়মতো জন্ম নিবন্ধন সনদ না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বহু মানুষ।ইউনিয়ন পরিষদের কর্মরত তথ্য অপারেটার টিপু মারমা বলেন,সার্ভার সমস্যার কারণে সময়মতো জন্ম নিবন্ধন সনদ ডেলিভারি দিতে পারছেন না।
দিনের মধ্যে দেখা যায় একবার সার্ভার আসে বাকি সময় থাকে না। এতে কাজ করতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হয়। জনগণ মনে করে আমরা কাজ করছি না। কিন্তু সার্ভারের সমস্যা কেউ বুঝতে চায় না। সার্ভার জটিলতায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হয় না। তাই সার্ভার সমস্যার দ্রুত সমাধান করার দাবি জানান এই উদ্যোক্তা।