পটুয়াখালীর দশমিনার চর বোরহান ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।উক্ত বিষয় নিয়ে জনৈক কবির হোসেন নামে এক জেলে বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সুত্রে জানা যায়, অক্টোবর ২০২৩ মাসের ২য় সপ্তাহের দিকে চর বোরহান ইউনিয়নের জেলেদের মাঝে ভিজিএফ'র চাল বিতরণ করা হয়। এ ইউনিয়নে প্রায় ১০০০ হাজার ৩০০ শত জেলের বিপরীতে মাথা পিছু ২৫ কেজি করে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ শত কেজি চাল বরাদ্দ করা হয়।
এছাড়াও উক্ত অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে প্রকৃত জেলেদের বাদ দিয়ে চেয়ারম্যান তাঁর ভাতিজা বশির সরদার,জসিম সরদার ও জহিরুল সরদার সহ নিজের আত্মীয় স্বজনদের নামের তালিকা করে চাল আত্মসাত করেন।চাল বিতরণে জেলেদের তালিকায় চেয়ারম্যানের যে স্বজনদের নাম উঠেছে তাঁরা কেউ জেলে নন।জেলেদের মাস্টার রোলে ভূয়া টিপ সই নেয়া হয়েছে।
অভিযোগকারী কবির হোসেন তাঁর দেয়া অভিযোগ পত্রে উপরোক্ত কথা এবং এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি ও নির্যাতন করেন চেয়ারম্যান তা উল্লেখ করেছেন। এ বিষয় জানতে বহু খোঁজা -খুজি করে ও মুঠোফোন নম্বর সংগ্রহ করতে না পারায় উক্ত অভিযোগকারী কবির হোসেন'র বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে জানতে চাইলে চর বোরহান ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ নজির আহম্মেদ সরদার প্রথমে ব্যাস্ত আছি বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন, ২য়বার তাকে ফোন দিলে তিনি মিটিং আছেন বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
৩য় বার তাকে ফোন দেয়া হলে তিনি বলেন, একটা ঝামেলায় আছি, অভিযোগের তদন্ত করাতে বলেন।এই কথা বলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে বহু বার তাকে ফোন দেয়া হলেও তিনি এ প্রতিবেধক'র ফোন কল রিসিভ করনেনি।এজন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয় দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা.নাফিসা নাজ নিরা গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের বলেন, উক্ত ঘটনায় একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেয়া হবে।