
আগামী (৮মে)ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পদপ্রার্থী শামসুল আলম চৌধুরী। যিনি আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ মাঠে-ঘাটে বিভিন্ন স্থানে শোনা যাচ্ছে। সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মোঃ
শামসুল আলম চৌধুরী। তাকে নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীসহ গুনীজনদের মধ্যে অনেক খানি প্রত্যাশাও রয়েছে। যা বিভিন্ন সভা-সেমিনারে তার প্রতিফলন হিসেবে লক্ষ্য করা গেছে। তাই আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই ফরিদপুরের সর্বস্তরের জনগণ।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও দলীয় আদর্শের প্রতি অবিচল ত্যাগ, সংগ্রামী নেতা হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন ফরিদপুর সর্বস্তরের জনগণের মনে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ফরিদপুর জেলা শাখার একজন সংগ্রামী নেতা হিসাবে সবার পরিচিত একজন মানুষ শামসুল আলম চৌধুরী। তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজের ধারার সাথে রয়েছে তার নিবিড় সর্ম্পক। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে সকলস্তরের নেতাকর্মীর কাছে প্রাণপ্রিয় নেতা তিনি। যার হৃদয়-আঙিনায় সবটুকু দরদ আর ভালবাসা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে, যিনি নিজেকে নিঃস্বার্থ ভাবে বিলিয়ে দিয়েছে মানব সেবায়।
আওয়ামী পরিবারের প্রবীণদের মন জয় করে কোতোয়ালি আওয়ামীলীগে নিজের জায়গা করে তিনি। মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা রেখে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজের যোগ্যতা যাচাই ও উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে দৌড় ঝাঁপ শুরু করেছেন। সদর উপজেলা জুড়ে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তার প্রার্থীতায় উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেছেন। ফলে প্রতিদিন উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রামের পর গ্রাম, পাড়া-মহল্লায় ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছে। ছুটে চলছেন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। তবে ভোটাররা কর্মোঠে ও পরিচ্ছন্ন হিসেবে এ নেতাকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।
তিনি বলেন, আসন্ন ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আমার প্রতীক আনারস, আমি ফরিদপুর বাসীর কাছে দোয়া ও তাদের মূল্যমান ভোট দাবি করি। আমার বয়সটা কেটেছে রাজনীতির মাঠে লড়াই সংগ্রাম করে, যতটুকু পেরেছি জনগনের পাশে থেকে তাদের সব ধরনের বিপদ আপদে পাশে থেকেছি। বাদবাকি জীবনে এই জনগনের সেবার মাধ্যমে নিজেকে নিয়োজিত রেখে বিদায় নিতে চাই।