বরগুনার পাথরঘাটায় রাতের আঁধারে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবলাইকৃত জমি জোর পুর্বক জবর দখল করে মন্দির নির্মাণ করেন।
এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জমি দখল, অবৈধ স্থাপনার প্রতিবাদ করেন মুক্তিযোদ্ধা আ.হালিম মোল্লা।ভুক্তভোগী হালিম মোল্লা একজ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট পাথরঘাটা উপজেলাধীন তালুকের চরদুয়ানীর বাসিন্দা মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজের জীবন বাজি রেখে লড়াই, সংগ্রাম যুদ্ধ করেছেন, স্বাধীনতা অর্জনের অংশীদার হয়েও আজ তার সম্মানহানী হচ্ছে, দেশ স্বাধীন করেও প্রাণ নাশের হুমকিতে একজন মুক্তিযোদ্ধা।নিজ সম্পত্তি ও জবর দখল করে নিয়ে যাচ্ছে ভুমিখেকোরা।
সম্প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের বৈরাগী বাড়ির লোকজন দলিল বিহীন অবৈধভাবে জমি দখল করে ঘর স্থাপন করেন এবং হালিম মোল্লাহ সহ তার পরিবারকে প্রান নাশের হুমকি দিয়েছে একই এলাকার পরিমল রায়,মিরণ রায়,শুভ রায়,বাবুল রায়,পলাশ,সুজনসহ অপরিচিত কিছু বারাটে সন্ত্রাসীরা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আ.হালিম মোল্লার ছেলে আল-আমীন তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার পর থেকেই আমার বাবার নামে কবলাকৃত ৬৪ শতাংশ জমি যার খতিয়ান নং -৬২৪। আমাদের এই দীর্ঘ বছরের স্বত্ব দখলীয় জমিতে রাতের আধারে মন্দিরের নামে ঘর নির্মাণ করিয়া বসতি স্থাপনা করেন।এবং ভারাটে সন্ত্রাসী সহ আমাদের প্রান নাশের হুমকি দেয়।
পাথরঘাটা আদালত উক্ত জমিতে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ দেন আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে ঘর নির্মাণ করে হরি মন্দির নামের একটি সাইনবোর্ড টানায়। তারা ধর্মকে ব্যবহার করে জমি দখল ও চাঁদাবাজী করে এমন চিত্র এলাকায় বিদ্যমান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ কালে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি, গোলাম মোস্তফা চৌধুরী , সাধারণ সম্পাদক, আমিন সোহেল, চরদুয়ানী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নেছার আহমেদ পনু ও সাংবাদিকবৃন্দ।
অভিযুক্ত মিরন রায় বলেন, আমার ঠাকুমা শান্তি কনা রায় ১৫ শতাংশ জমি বিরোধীদের সাথে শালিসীর মাধ্যমে পায় তাই আমরা আমাদের মুক্তি কামনায় মন্দির ঘর নির্মাণ করি। আমাদের উপর আরোপিত মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ সত্যি নয়।