
আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ইচ্ছে মতো প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনেক প্রার্থী নির্বাচনের নিয়ম নিতির তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছে প্রচারণা। ঐ বিষয়ে ক্ষুব্ধ উপজেলা বাসী। বিকাল ৩ টা হতে অনেক রাত পর্যন্ত চলে সাউন্ড বক্স বাজানোর প্রতিযোগিতা। উপজেলার অনেকেই জানান, সাউন্ড বক্স এর উচ্চ শব্দের কারণে ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনা এর ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। আমরা যারা শ্রমিক সাড়াদিন পরিশ্রম করে সন্ধ্যার পর খাবার খেয়ে ঘুমাই। কিন্তু এসব সাউন্ড বক্সের জন্য ঘুমাতে পারি না। আবার যাদের ছোট ছোট বাচ্চা আছে তারা বলেন, উচ্চ শব্দের ফলে ছোট ছেলে মেয়েরা ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠে ভয়ে কান্না করতে শুরু করে।উপজেলার বিভিন্ন বাজারের দোকান দারেরা বলেন, ঠিক মত দোকানদারী করতে পারছি না। অতিরিক্ত শব্দের ফলে ক্রয়- বিক্রয়ে অসুবিধা হচ্ছে। অনেক প্রার্থী মানছেনা বিধিনিষেধ। নির্বাচনে আচরণবিধিতে রয়েছে কোন প্রার্থী কোন যানবাহন যোগে কোন প্রকার মিছিল ও শোভাযাত্রা করতে পারবে না। এই নিয়মের তোয়াক্কা না করে শুক্রবার বিকেলে কয়েক শত মোটরসাইকেলের নিয়ে আব্দুল লতিফ তারিন এর কাপ পিরিচ মার্কার বিশাল শোভাযাত্রা বের করেন। মহাসড়কে এত বড় মোটরসাইকেল শো-ডাউনে ঘটতে পারে অনাকাঙিক্ষত দুর্ঘটনা। স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনি আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণার জন্য সুস্পষ্ট নিয়ম কানুন রয়েছে। নির্বাচনি প্রচারকার্যে যানবাহনের ব্যবহার সংক্রান্ত বাধানিষেধ, মাইকের ব্যবহার, নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন, দেওয়াললিখন সংক্রান্ত, পিভিসি ব্যানারের ব্যবহার সংক্রান্ত বা নিষেধাজ্ঞা থাকলেও প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা নির্বাচনের আচরণবিধি লংঘন করলেও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রির্টার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্টরা৷ তেমন কোন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও তদারকি চোখে পরছেনা। ফলে প্রার্থীরা যে যার ইচ্ছে মতো প্রচার প্রচারণা করছেন৷ এতে প্রার্থীরা প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একাধিক প্রার্থীর মধ্যে যেহেতু একজন নির্বাচিত হবে তাই আমরা চাই যারা নির্বাচিত হতে পারবেন না তারা যেন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এ বিষয়ে তেতুলিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার শামিম হোসেন জানান, প্রার্থীরা তথ্য প্রমাণসহ অভিযোগ দিলে আমরা রিটার্নিং অফিসারকে ফরোয়ার্ড করলে একশন নিবেন।