
বরগুনার আমতলীর গুলিশাখালীতে এক কলেজ ছাত্রী তার পিতামাতসহ পরিবারের সদস্যদের উপর অতর্কিত হামলা লটপাট ও মারধোরের অভিযোগে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করেছেন কলেজ ছাত্রীর পিতা আব্দুল জব্বার হাওলাদার (৬১)।আমতলী থানায় দায়েরকৃত মামলা সুত্রে জানা যায় ,গত২৮ অক্টোবার দুপুর ২ টার সময় একই এলাকার বহু মামলার আসামী সন্ত্রাসী মান্নান হাওলাদার (৫০) জামাল (৩২) দেলোয়ার (৬০) নাইম খা (২৮)সহ একদল সন্ত্রাসী আব্দুল জব্বারের বাড়ীতে অনিধিকার প্রবেশ করে জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধের জেরে দেশিয় অস্ত্র সশ্র লাটিসোটা নিয়ে আব্দুল জব্বার (৬১) তার স্ত্রী শাহাভানু(৫২) কন্যা গুলিশাখালী আলহাজ্ব আব্দুল খালেক বিএম কলেজের ছাত্রী সুমা আক্তার (১৮)কে গরুর মতবেধে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। ঘরে রাখা জমি বিক্রির ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা স্বর্ণালংকার ও দুটি গরু গায়ের জোর করে নিযে যায় । আহতদের মধ্যে কলেজ ছাত্রী সুমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে আহত করে ও শ্লিলতাহানি ঘটায়।
স্থানীয়রা ঐ দিনই আহতদের উদ্ধার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে ভর্তিকরেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে বহু মামলার আসামী সন্ত্রাসী মান্নান হাওলাদার (৫০) জামাল (৩২) দেলোয়ার (৬০) নাইম খা (২৮)সহ ৭জনের নামে আমতলী থানায় মামলা
দায়ের করেন।
অভিযুক্তদের মধ্যে মন্নান হাওলাদার তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন। এ বিষয় আব্দুল জব্বার হাওলাদার বলেন আমার কলেজের পড়–য়া মেয়ে আমার স্ত্রী ও আমাকে
সন্ত্রাসী বিএনপি কর্মি মন্নানও তার সাথে থাকা সন্ত্রাসীরা গরুর মত বেধে মারধোর করে টাকা সোনা গরু নিযে গেছে আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
কলেজ পড়–য়া ছাত্রী সুমা আক্তার বলেন , আমি নামাজ পড়তে ছিলাম সেই অবস্থায় ঘরের মধ্যে
ডুকে আমাদের পরিবারের সকলকে গরুর মত বেধে মারধোর করে টাকা স্বর্ণালংকার ও দুটি গরু জোরে করে নিয়ে যায় আমি প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই আমতলী থানার উপ পরিদর্শক সুজন জানান, মামলার আসামী নাইম খাকে গ্রেফতার করে আমতলী সিনিয়র জুডিীশয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে প্রেরন করা হয়েছে।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী সাখোয়াত হোসেন তপু বলেন একজন আসামীকে গ্রেফতার করে কোর্টে প্রেরন করা হয়েছে বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।