
রাজশাহীর বাগমারায় অগ্নিকাণ্ডে পান বরজ ভস্মীভূত হয়েছে। উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের পোড়াকয়া গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার বেলা সাড়ে বারো’টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।
প্রত্যক্ষদর্শী রাকিবুর রহমান, স্কুল শিক্ষক একরামুল হক জানান, কোথায় থেকে আগুনের সূত্রপাত তা তাৎক্ষণিক ভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
প্রায় ঘন্টা খানেক চেষ্টা চালিয়ে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে বাগমারা থানার দু’টি, নওগাঁর আত্রাই উপজেলা থেকে দু’টি এবং রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি, মোট পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। ততক্ষণে ৫৩ জন কৃষকের স্বপ্ন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
বাগমারা ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার রাকিব হাসান মুঠোফোনে জানান, ৬৩ জন কৃষকের প্রায় ৩৮.৮ বিঘা (১ হাজার ২ শত ৬২ শতাংশ) পান বরজ সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বিড়ি, সিগারেটের অবশিষ্ট অংশ থেকে হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিক ভাবে জানাতে পারেনি ।
চোখের সামনেই পুড়ে যাচ্ছে পান বরজ। এক হাতে রয়েছে মোটর অন্য হাতে ফিতা। কেবল তাকিয়ে দেখা ছাড়া কোন উপায় নেই কৃষকের। দেশ জুড়ে বইছে তাপদাহ। এর মধ্যেই লেগেছে পান বরজে আগুন। সেই আগুনে পুড়ে গেল ৩০০ পুন পানের বরজ।
এখন কি করবে সেই সকল কৃষকরা। যে পান বরজের পান নিয়ে স্বপ্ন বুনছিলেন পানচাষীরা। চোখের সামনেই শেষ হয়ে গেল সব কিছু ।
গনিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রঞ্জু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । তাঁর ধারণা অগ্নকান্ডে ক্ষয়ক্ষকির পরিমাণ কোটি টাকার উপর।
রাত সাড়ে নয়’টার দিকে ফোন করলে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল ইসলাম ফোন রিসিভ করেন নাই।
চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রঞ্জু নিশ্চিত করেন, নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বস্ত করে গেছেন ।