
সৎ, পরিচ্ছন্ন, স্বজ্জন ও সদা হাসিমুখের রাজনীতিবিদ হিসেবে সমধিক পরিচিত অ্যাডভোকেট আশরাফী মেহেদী হাসান। জনসেবার মহান ব্রত নিয়ে আগামী ৮মে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি কালীগঞ্জে দোয়াত কলম প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন। সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে ২০০৯ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর মানুষের মন জয় করে নিয়েছিলেন।আরও বড় পরিসরে কালীগঞ্জের মানুষের জন্য সেবা করতে চান এই পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ উপেজলার সর্বত্র ক্লিন ইমেজের একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে তার নাম ডাক রয়েছে।
তিনি উপজেলার বাঙ্গালহাওলা গ্রামে ১৯৬৭ সালে ২০ অক্টোবর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। মরহুম আশরাফী আব্দুল গনি ও মরহুমা জোবেদা খাতুনের ছয় সন্তানের মধ্যে আশরাফী মেহেদী হাসান সর্বকনিষ্ট।তিনি ১৯৮৪ সালে কালীগঞ্জ আর আর এন সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি, ১৯৮৬ সালে কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে এইচএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাষ্টার্স ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন। তাঁর সহধর্মিনী বাংলাদেশ সরকারের (বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে) যুগ্ন সচিব পদে কর্মরত আছেন।
রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরী আশরাফী মেহেদী হাসানের মামা ফকির শাহাবুদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ সংবিধান রচয়িতা কমিটির সদস্য ছিলেন, ১৯৭০ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাপাসিয়া থেকে এমএনএ নির্বাচিত হন এবং তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম এটর্নি জেনারেল ছিলেন। তাঁর চাচা এ্যাড সবুর আশরাফী তৎকালীন কালীগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ঢাকা বার কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ,সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতি ছিলেন। আশরাফী মেহেদী হাসান ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহী ছিলেন। তিনি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজে অধ্যয়নকালীন স্বৈরাচারী বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করেন।
যার ধারাবাহিকতায় তিনি শ্রমিক কলেজ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি, থানা ও জেলা ছাত্রলীগের সদস্য, যুগ্ম সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হন। ছাত্রাবস্তাতেই তিনি ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন জাতীয় সমন্বয় কমিটির কালীগঞ্জ থানা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র রাজনীতির পাঠ চুকিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কালীগঞ্জ থানা কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক, গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরে টানা দ্বিতীয়বারের মতো যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো নির্বাচন করে বিপুল ভোটে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচত হন। রাজনীতির পাশাপাশি নানা সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন।এ্যাড. আশরাফী মেহেদী হাসান প্রতিবেদককে বলেন, আমার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে সব সময়ই জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছি। ইতিপূর্বে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আমি এলাকার উন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছি। আরও বড় পরিসরে সেবার ব্রত নিয়ে আমি এবার উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দোয়াত কলম মার্কায় নির্বাচন করছি। সব শ্রেণী পেশার ভোটারগণ আমার পাশে আছেন। তাই আমি বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।