
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সিংরইল ইউনিয়নের উদং গ্রামের মৃত জোবেদ আলীর পুত্র কৃষক হাফিজ উদ্দিনের জমির পাকা ধান কেটে নিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এমন অভিযোগ উঠেছে একই
গ্রামের প্রতিপক্ষ মৃত আ: গফুরের পুত্র আব্দুল মোতালিব গংদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, বুধবার ভোর রাতে সিংরইল মৌজাস্থ উদং গ্রামের কৃষক হাফিজ উদ্দিনের ১০০ শতক জমির পাকা ধান কেটে নিয়ে যায় আব্দুল মোতালিব গংরা। শুধু তাই নয়, ওই কৃষকের ভূট্টা ক্ষেতে ভেঙ্গে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। সরজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, আব্দুল মোতালিবের বাড়িতে ধান ও নতুন কাচা খড় শুকানো হচ্ছে। এছাড়া উক্ত জমিতে গিয়ে দেখা যায় সেখানে সুপারী গাছ দিয়ে বানানো একটি বল্লম ক্ষেতে পড়ে আছে। ক্ষেতের চারপাশের অন্যান্য ধান জমিগুলোর ধান এখনো কাটা হয়নি। কিন্তু উল্লেখিত ১০০ শতক জমির ধান এলোপাথারী কেটে নেওয়া হয়েছে। তবে পাকা ধান কেটে নেওয়ার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেছেন প্রতিপক্ষ আব্দুল মোতালিব ও তাঁর লোকজন। তারা বলেন, আমাদের জমির ধান আমরা কেটে নিয়েছি তা ভোর রাতে হোক আর দিনেই হোক
তাতে তো কোন সমস্যা নাই। এদিকে অভিযোগকারী কৃষক হাফিজ উদ্দিনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এ ধান জমি তাঁর। তিনি ধান রোপন করেছিলেন। তাছাড়া পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত এই জমির মালিক কৃষক হাফিজ উদ্দিন।স্থানীয় এলাকাবাসীর.অনেকেই জানান, কৃষক হাফিজ উদ্দিন ও আব্দুল মোতালিব গংদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। একাধিকবার সালিশ-দরবার হলেও এর কোন সুরাহা হয়নি। এ বিষয়ে কৃষক হাফিজ উদ্দিন জানান, আমি রাস্তা চলাচলের পথে ঘর স্থাপনের প্রতিবাদ করায় আঃ মোতালিব গংরা আমার ও আমার পরিবারকে অত্যাচার-নির্যাতন সহ জমি-জমা দখলে নেওয়ার জোরপূর্বক চেষ্টা
চালিয়ে যাচ্ছে। নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল মজিদ বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং তা সরজমিন তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য একজন এসআইকে দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে।