
সুত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীর কমলাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দূর্নীতির বড় পুত্র গণপূর্ত’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুজ্জামান চুন্নু’র পিতা আঃ ছালাম মৃধা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।উক্ত ইউনিয়নে গতকাল ২৮ এপ্রিল রবিবার ইউপি নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হয়।এ নির্বাচনে ঢাকা -৪ জোনের গণপূর্ত’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুজ্জামান চুন্নু’র পিতা আঃ ছালাম মৃধা (চশমা) প্রতীকে বিপুল সংখ্যক ভোট পেয়ে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। বিএনপি পন্থি আঃ ছালাম মৃধা’র এ বার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পিছনের রহস্য হল তাঁর প্রকৌশলী ছোট ছেলে চুন্নু’র অবৈধ -বৈধ অর্থ সিডরের ন্যায় বিতরন। পরিবেশ বিরোধী ইট ভাটার ব্যবসায়ী আঃ ছালাম মৃধা এবার নির্বাচনে তাঁর নির্বাচনী এলাকার অসহায়, দুস্হ ও হত দরিদ্র মানুষজনের নানা ঋ্নের কিস্তির বই হাতিয়ে নিয়ে উক্ত কিস্তির টাকা সে পরিশোধ করে দেয়া। আঃ ছালাম মৃধা ভোট ক্রয়ে তাঁর নিজের পাঁজা ও ইট ভাটা মিলিয়ে ৪ টি ইট ভাটার ইট মানুষ জনের বাসা-বাড়িতে উপ টৌকন হিসেবে পাঠানো। তিনি তাঁর তরমুজ খেতে তরমুজ চাষ করে এ থেকে আয় কৃত অর্থ নিজের প্রতীকে ভোট টানতে ব্যয় করা। এমনকি রমজান মাসে ভোটের মাস পড়ায় তিনি ঈদ কে পুজি করে ভোট কেনতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি নগদ অর্থ সহ শাড়ি,লুঙ্গী, চিনি ও সেমাই বিতরন করা।পুরো রমজান মাসে তাঁর নির্বাচনী এলাকার সবার মাঝে ইফতারি বিতরন করা। এছাড়া ও প্রতিদিন তাঁর বাড়িতে শত শত মানুষজনের জন্য গরু ও মুরগীর মাংস দিয়ে খাবার আয়োজন করা। নির্বাচনের দিন তাঁর ছবি প্রতীক সম্মেলিত টি শার্ট( গেন্জি) শত শত তাঁর কর্মী সমার্থকদের মাঝে বিতরন করা। তিনি এবারের নির্বাচনে শুরু থেকে শেষ এপর্যন্ত তাঁর ছোট ছেলের অবৈধ-বৈধ অর্থের জোরে নির্বাচনী আচারণ বিধি পর্যন্ত লঙ্গন করে এসেছেন। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক অনেকেই জানিয়েছেন অর্ধ শিক্ষিত আঃ ছালাম মৃধা এর আগেও ৯ বছর চেয়ারম্যান ছিলেন এক চাকা মাঠি এলাকার কোথাও ফেলতে পারেনি। তিনি বিরোধী দলের রাজনীতি করে কি উন্নয়ন করতে পারবেন এলাকায় ৫বছরে।তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া বেজায় খুশি হয়েছেন মূলত মাদক সেবী ও বিপদ গামী মানুষজন।তাঁরা আরও বলেছেন এবার নির্বাচনে বিএনপি মনা ফারক খা, জাতীয় পার্টির মোঃ আনিচুর রহমান,আওয়ামীলীগের ইব্রাহিম খান ও মোঃ হারুন চেয়ারম্যান প্রার্থী না হওয়ায় এবং আঃ ছালাম মৃধা’র ছোট ছেলের অবৈধ -বৈধ অর্থ বিতরনের কারনে আঃ ছালাম মৃধা চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমলাপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ সব সেন্টারে ফাস্ট হলেও ব্যক্তিক্রম শুধু হয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে। এখানেও আঃ ছালাম মৃধা এবার কারিশমা দেখিয়েছেন। তাঁর এ কারিশমা হল কমলাপুরের ৯০ ভাগ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমার্থকদের তাঁর ছোট ছেলের কালো টাকার সম্মহনি শক্তি দিয়ে তাদের তাঁর দলে ভিড়ানো। ফলে উক্ত আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁর নির্বাচনী মঞ্চে উঠে প্রকাশ্যে তাঁর পক্ষে ভোট চাওয়া ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করা সহ তাকে তাদের নিজের এবং আত্নীয় -স্বজনদের ভোট গুলো দেওয়ায় তিনি এ যাত্রায় বিপুল ভোটে জিতে গেছেন।কমলাপুরে এবারও আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিল।কিন্ত তাঁর পরাজয়ের কারন উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। আঃ ছালাম মৃধা’র এবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পিছনে মূল ভূমিকায় ছিলেন তাঁর দুই ছেলে চুন্নু ও নান্নু,মেয়ে হেপি আকতার,জামাতা ডাঃ জোবায়ের হোসেন,ভাগিনা শামিম ও নাঈম এবং ভায়রা ছেলে ফেরদৌস সহ ব্যক্তি বর্গ।