
কক্সবাজারে হাইওয়ে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৭ রাউন্ড জি থ্রি রাইফেল এর বুলেটসহ দুই যুবক কে আটক করা হয়।
শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকালে টেকনাফ কক্সবাজার অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
শনিবার ( ২৭ এপ্রিল ) রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা রিজিয়ন পুলিশ সুপার মো.খাইরুল আলম।
তিনি জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চেক পোস্ট করা কালীন টেকনাফ কক্সবাজার মূখী পায়রা সার্ভিস এর একটি যাত্রীবাহী বাস (রেজিঃ নং- কক্সবাজার-জ-১১-০২৪৮) থামিয়ে তল্লাশি করি। তল্লাশির এক পর্যায়ে যাত্রীর আসনে থাকা দুজন যুবকের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় উপস্থিত স্বাক্ষিদের মোকাবেলায় দেহ তল্লাশি করে কেফায়েত উল্লাহ নামক রোহিঙ্গা যুবক এর কোমড়ে বাঁধা অবস্থায় একটি কালো রংয়ের ব্যাগ (প্রসেস) পেয়ে তা স্বাক্ষিদের সামনে খুলে তার ভিতর একটি কাগজের গুলীর প্যাকেট এর মধ্যে ১৭ রাউন্ড জি থ্রি রাইফেল এর বুলেট পেয়ে তা জব্ধ তালিকা মূলে জব্ধ করা হয়।
অবৈধ বুলেট নিজ হেফাজতে রাখার দায়ে উক্ত যাত্রী ও তার সহযাত্রী আনোয়ার মোস্তফাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত রোহিঙ্গা নাগরিকরা হলে,কেফায়েত উল্লাহ (১৯),পিতা-মো.ইসলাম,মাতা- সাজেদা বেগম, সাং- ব্লক-ই-৩১৪,ক্যাম্প-৭, কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প, থানা-উখিয়া,জেলা-কক্সবাজার,ও আনোয়ার মোস্তফা (১৮) পিতা-আব্দুস সালাম, মাতা-আরজু মেহের,সাং- ক্লাষ্টার-৬৫,রুম নং-জে-১২৩,ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প, থানা-হাতিয়া,জেলা-নোয়াখালী মর্মে জানায়। আসামীদ্বয় পরষ্পর যোগসাজশে মায়ানমার হতে উক্ত বুলেট কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর উদ্দেশ্যে বহন করছিল মর্মে স্বীকার করে।
আসামীরা আরো জানায় যে,গত ( ১৯ এপ্রিল ) তারা দালালের মাধ্যমে মায়ানমার মংডু জেলার মায়ানমার সেনাবাহিনীর বুচিডং ক্যাম্পে যায়। ওখানকার সেনাবাহিনী তাদেরকে G3 রাইফেল চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়।
সেনাবাহিনীর পক্ষে বিদ্রোহীদের সাথে যুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে। ৭ দিন ক্যাম্পে থাকার পর অতিরিক্ত গরম ও খাদ্য কষ্টে ঐখান থেকে অদ্য মায়ানমার সীমান্ত পার হয়ে পুনরায় বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
টেকনাফ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।
ডিআই/এসকে