
পটুয়াখালীর দশমিনায় পান চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কাপুলার ঠাল দিয়ে শাহিন হাওলাদার (৩৫) নামে এক যুবককে মারধর ও আহত করে সাদা ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর রেখে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করার অভিযোগ উঠেছে। আহত শাহিন দশমিনা উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ভর্তি রয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে। স্থানীয় সুত্রে যানাযায়, রনগোপালদী ইউনিয়ের ১নং ওয়ার্ডের হানিফ হাওলাদের ছেলে শাহিন তার নিজ পান বরজে কাজ করেন। একই গ্রামের বাসিন্দা সায়েম প্যাদার পানের বরজ থেকে চুরি করে পান নেয়ার অপবাদে (২৫ এপ্রিল ) সন্ধার সময় সায়েম প্যাদা, নেছার ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা দল বেধেঁ রাস্তা থেকে টেনে হেচরে শাহিনকে একটি বিল্ডিংয়ের ঘরের ভিতর নিয়ে গেলে ঐ ওয়ার্ডের আকবর চৌকিদার ইচ্ছা মতো কাপুলার লাঠি দিয়ে তাকে বেদরক মারধর করে। শাহিনের স্ত্রী বলেন খবর পেয়ে আমার স্বামীকে বাঁচাতে গেলে আমাকেও হুমকি ধামকি দেয় সায়েমের সাঙ্গ পাঙ্গরা। পরে স্থানীয়রা শাহিনকে উদ্ধার করে দশমিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন।
শাহিনের বাবা হানিফ হাওলাদার বলেন, একটি বিল্ডিংয়ের ঘরের মধ্যে নিয়া চৌকিদারসহ রুবেল,সোহেল প্যাদা, রাহাত রিয়াজ,সায়েম ও নেছার প্যাদা আমার ছেলেকে ইচ্ছা মতো মারছে তারপর ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর পূর্বক চুরি করা শিকার করাইয়া শালিসের নামে সাদা ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে আকবর চৌকিদার প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে সব স্বীকার করে বলেন পান চুরি করার অপরাধে আমি চারটা বাড়ি দিয়েছি এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও সমাজে মাপ চাওয়াইছি। এরকম ছোট খাটো ফয়সালা এলাকায় বসে করি অনেক। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সায়েমের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
দশমিনা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ নুরুল ইসলাম মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, এবিষয়ে আমি কিছুই জানিনা তাছাড়া এব্যপারে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ আসেনি যদি কোন অভিযোগ আসে তাহলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।