
বৈশাখের তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। প্রকৃতিও পুড়ছে বৈশাখের তাপদাহে। তীব্র গরমে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের জীবন। অসহনীয় গরম আর তাপদাহে বিমর্ষ এখন প্রাণ প্রকৃতি। এই অবস্থায় বায়ু দূষণ ও তীব্র তাপদাহ কমাতে নিজেদের আওতাধীন রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে পানি ছেটাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। ডিএনসিসিরি দুটি স্প্রে ক্যানন এবং ১০টি ব্রাউজারের মাধ্যমে রাস্তায় পানি ছেটাচ্ছে তারা।
শনিবার (২৭ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ে সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ সরণি সড়কেও তীব্র তাপদাহের মধ্যেই সাজিয়ে রাখা হয়েছে ডিএনসিসিরি দুটি স্প্রে ক্যানন এবং ১০টি ব্রাউজারের গাড়ি। পাশাপাশি খাবার পানির বিশেষ ভ্যান গাড়িও রাখা আছে। আসবেন মেয়র,কার্যক্রমগুলো করবেন পরিদর্শন, দেবেন তৎপরতার নির্দেশনা।
এদিন বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে আসলেন ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম। এদিকে এমন সব স্প্রে ক্যানন এবং ব্রাউজারের গাড়ি দেখে আশেপাশের এলাকার শিশু কিশোররা আগেই জোড় হয়েছিল সেখানে। এমন সময় আসলেন মেয়র,মেয়রের আসা দেখে চালিয়ে দেওয়া হলো স্প্রে ক্যানন। চারিদিকে ঝর্ণার মত ছিটতে থাকলো পানি। আর এই পানিতে হৈহুল্লোর করে ভিজতে শুরু করলো উপস্থিত শিশু কিশোররা। প্রকৃতি যখন পুড়ছে বৈশাখের তাপদাহে,ঠিক তখন স্প্রে করা শীতল পানিতে স্বস্তিতে ভিজে আনান্দ উল্লাসে মেতেছে তারা। যা দেখে মেয়র আতিকও যুক্ত হলেন শিশু কিশোরদের সঙ্গে,নিজেকে ভিজিয়ে নিলেন তিনিও। তা দেখে আশে পাশে উপস্থিত সবাই মুর্হমূর্হ করতালিতে কম্পিত হতে থাকলো পুরো এলাকা।
পরে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন,ডিএনসিসিরি দুটি স্প্রে ক্যানন এবং ১০টি ব্রাউজারের মাধ্যমে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মেশিন দিয়ে পানি ছিটানো হচ্ছে। প্রতিটি গাড়িতে ১৫ হাজার লিটার পানি ধরে এবং একটানা ৫ ঘণ্টা স্প্রে করতে পারে। এটি বায়ু দূষণ রোধের পাশাপাশি তাপ কমাতেও ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি প্রতি ওয়ার্ডে ৩ টি বিশেষ ভ্যান গাড়ির মাধ্যমে পথচারীদের পানি পান করার জন্য নামানো হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থার ভ্যান।
ডিআই/এসকে