
পটুয়াখালীর কমলাপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মী ও সমার্থক বৃন্দরা ইউপি নির্বাচনে উল্টো পথে হাটছে।এক সমিক্ষায় দেখা যায়,সকল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ভোট পেয়ে সব সেন্টারেই প্রথম হয়। কিন্ত স্হানীয় সরকার নির্বাচন এলেই আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মী ও সমার্থকরা বিরোধী দলের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে। এটা যেন কমলাপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের একটা কলঙ্ক জনক অধ্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্বাধীনতা পরবর্তী পটুয়াখালীর কমলাপুরে স্হানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মাত্র একবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।এর পরে অদ্যবদি বিএনপির ঘরনার বাহিরে কেউ এ ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়নি।বৃহত্তর কমলাপুর ইউনিয়নে বিএনপি মনা প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয় মীর একলাস উদ্দিন( পর পর ২মেয়াদে ১৪বছর দায়িত্ব পালন করেন),পরে ধাপে ধাপে নির্বাচিত হয় আবদুল ওয়াব খান(৭ বছর দায়িত্ব পালন করেন), আদম আলী দফাদার(৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন), মতিউর রহমান মন্জু(১০ বছর দায়িত্ব পালন করেন),মনির রহমান মৃধা( ৮ বছর দায়িত্ব পালন করেন),আঃ ছালাম মৃধা( ৫বছর দায়িত্ব পালন করেন) ও বৃৃৃৃহত্তর কমলাপুর ইউনিয়ন ভাগ হওয়ার পরে মনির রহমান মৃধা পুনঃরায় ( আরও ৫বছর দায়িত্ব পালন করেন), অন্যদিকে মীর একলাস উদ্দিনের পরে আওয়ামীলীগ ঘরনার এ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে (সাড়ে ৩বছর দায়িত্ব পালন করেন)।এদিকে আসছে ২৮ এপ্রিল রবিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কমলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।উক্ত নির্বাচনে সাবেক চেয়ারম্যান ও সদ্য বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত মনির রহমান মৃধা ( আনারস)ও সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আলহাজ্ব আঃছালাম মৃধা( চশমা)এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কমলাপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি এ্যাডভোকেট মোঃ শফিকুল ইসলাম ( ঘোড়া) চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। এ তিন প্রার্থীর মধ্যে মূূল প্রতিদ্বন্দীতা হবে আনারস ও চশমা প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যে।এর কারন কমলাপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের ৯০ ভাগ নেতা-কর্মী ও সমার্থক বৃন্দরা চশমা ও আনারস মার্কার প্রার্থী পক্ষে কাজ করছেন প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য ভাবে। ফলে কমলাপুর ইউনিয়নে ঘোড়া মার্কার প্রার্থীর ফলাফল খারাপ হলে কারও কিছুই করার নেই।গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কমলাপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন এ্যাডভোকেট মোঃ শফিকুল ইসলাম।
এ নির্বাচনে তাঁর জামানত রক্ষা হয়নি আওয়ামীলী গের নেতা-কর্মী ও সমার্থক সহ তাদের আত্নীয় স্বজনের কারণে রিপোর্ট লেখা পর্যান্ত জানা গেছে,শেষ নির্বাচনী উঠান বৈঠকে ও কমলাপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মী ও সমার্থক সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুুষজনের কাছে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মিনতী করে এ্যাডভোকেট মোঃশফিকুল ইসলাম তাঁর ঘোড়া মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করার জন্য অনুরোধ করেছেন।