
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরব হয়ে উঠেছে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গন। সর্বত্রই চলছে আলোচনা, উঠছে চায়ের কাপে ঝড়।জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই আবার সর্বত্রই আলোচনার কেন্দ্র হিসেবে দাড়িয়েছে আগামী উপজেলা নির্বাচন। সেই সাথে চলছে রাজনৈতিক মহলে নানান হিসাব নিকাশ।
আগামী ৮ মে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন, এ নিয়ে নবীন ও প্রবীণ প্রার্থীরা শুরু করেছে নিজেদের প্রচার প্রচারণা। এ সকল প্রার্থীদের সমর্থকেরা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
(২২ এপ্রিল ) সোমবার সারাদিন কালীগঞ্জ উপজেলার নরুন, মুক্তারপুর ও কালীগঞ্জ পৌর এলাকা গণসংযোগ করেছেন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ক্লিন ইমেজখ্যাত নেতা রুবেল পালোয়ান।
এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন হাট, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পোষ্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে আলোচনায় বিভিন্ন জনের নাম আসলেও আলোচনার কেন্দ্র হিসেবে সবার শীর্ষে রয়েছে ক্লিন ইমেজখ্যাত নেতা রুবেল পালোয়ান।
ইতিমধ্যে তিনি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গনসংযোগ করছেন। তার পরিবারের প্রতিটা সদস্যই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। রুবেল পালোয়ান এর জন্ম ও বেড়ে উঠা গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা মুক্তারপুর ইউনিয়নের হরিদেবপুর গ্রামে, একজন শিক্ষিত, কর্মদক্ষ্য, মানুষের বিপদের আপনজন, সৎ ও সততার উত্তম সমন্বয়, তারুণ্যদীপ্ত রুবেল পালোয়ান।আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এ নেতাকে’ই আসন্ন নির্বাচনে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ।
কালীগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের দোয়া ও ভালবাসা নিয়ে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালনকারী, সৎ সাহসী নীতি ও আদর্শবান বঙ্গবন্ধুর এক লড়াকু সৈনিক, ধার্মিক, সদা হাস্যউজ্জ্বল, বিশিষ্ট সমাজ সেবক রুবেল পালোয়ান । কালীগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের প্রকৃত অর্থে উন্নত, আধুনিক, শান্তি – সিমৃদ্ধির আবাসস্থল হিসাবে গড়ে তুলতে তার রয়েছে দৃঢ় অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, মানুষের শাসক নয়, সেবক হতে চায়। জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চায়।ভবিষ্যতেও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা করে কালীগঞ্জ উপজেলাকে অব্যাহত রাখতে চায় এবং সকলের প্রতি যতটুকু সম্ভব সাহায্যে সহযোগিতা করার জন্য আমার প্রচেষ্টার কোন কমতি নেই, রুবেল পালোয়ান আরো বলেন, ব্যাক্তি উদ্যেগে মানুষের কল্যাণ সবসময় কাজ করা সম্ভব। সর্বাত্মকভাবে সমাজের সেবা করতে হলে জনপ্রতিনিধি হওয়ার বিকল্প নাই।বিশেষ করে সরকারী অনুদান তৃণমূলের সর্বস্তরের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন করা সম্ভব হয়। তাই আসন্ন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে আমি এলাকায় কাজ করছি। কালীগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের সমর্থন ও দোয়া চায় তিনি।