
টেকনাফের যুবলীগ কর্মী সাবেরের মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে খুনিরা,এতে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন নিহত সাবেরের পরিবার।
সাবেরের স্বজনেরা জানান, ২ এপ্রিল সাবের টেকনাফ বার্মিজ মার্কেট এলাকায় তার জুতার দোকানের জন্য আনা মামলা তারপর পার্শবর্তী একটি দোকান বন্ধ থাকায় তার সামনে রাখে,এই মালামাল রাখা নিয়ে বন্ধ থাকা দোকানের মালিক নূর হোসেনের সাথে সাবেরে কথা কাটাকাটি হয়,একপর্যায়ে নূর হোসেন তার ছেলে ইয়াসিন তার দলবল নিয়ে এসে এক পর্যায়ে জিনিস রাখার জন্য চাঁদার দাবী করেন,পরে সাবের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে দোকান থেকে বের বেধরক পেটানো হয়,এতে গুরুতর আহত হয় সারবে।পরে শারীরিক পরীক্ষা করে জানতে পারে মারধরের কারণে তার হৃদপিণ্ড ও কিডনিতে তে গুরুতর আঘাত হয়।পরে গুরুত্বর অবস্থা সাবেরকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়,সেখানে সাবেরের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে চট্টগ্রামে রেফার করা হয়,পরে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে জবাব দেওয়া দেয়,এরপর চট্রগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান সাবের।
শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ার পর আইসিইউতে নেওয়ার আগেই ঘটনার সাথে জড়িতদের নাম প্রকাশ করেন সাবের।
সেই অনুযায়ী নিহত সাবেরের ভাই মো: ছাদের বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এতে মোঃ ইয়াছিনকে প্রধান আসামী করে আরো ৮ জানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়।
অন্য আসামিরা হচ্ছেন টেকনাফ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত হাজী ইসমাইলেরর ছেলে নুর হোছন,আব্দুল্লাহ ছেলে সালমান,আবু তাহের ছেলে আব্দুল্লাহ,মৃত শমসুর ছেলে সোহাগ,সাবরাং ইউনিয়নের তাহেরের ছেলে বাবলু,টেকনাফ পৌরসভার ২ নং ওয়াডের আবু তাহেরের ছেলে আবদুল জব্বার,৭ নং ওয়ার্ডের জমির উদ্দিনের ছেলে এমরান,৮ নং ওয়ার্ডের ফেরুজের ছেলে কেফায়েত।
আসামিদের গ্রেফতারের জন্য কাজ চলছে বলে জানান টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গণি।
দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতারের দাবী সাবেরের স্বজন সহ এলাকাবাসীর।