
পুর্বঘোষণা মতে বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টায় মিয়ানমারের ৫ কর্মকর্তাসহ ৭ প্রতিনিধি দল ১৭৩ বাংলাদেশীকে নিয়ে ককসবাজার নুনিয়াছড়া পৌঁছে এদেরকে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছেন।
পরে বেলা দেড়টায় মিয়ানমার প্রতিনিধি দলটি সড়কপথে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছান বেলা পৌঁনে ৩ টায়। যেখানে রাখা হয়েছে ২৮৭ জান্তা বাহিনীর সদস্য। প্রতিনিধি দলটিতে বাংলাদেশে মিয়ানমারের ৩ কর্মকর্তাও রয়েছেন।
তবে এ সংবাদ লেখা কাল অবধি মিয়ানমারের কর্মকর্তাদের নাম ও পদবি পাওয়া যায়নি।
এর পরপর কর্মকর্তারা গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে আসা ২৮৭ জান্তা সদস্যের খোঁজখবর নেন ।
সূত্র আরো জানান,গত ১১ মার্চ নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের জামছড়ি সীমান্ত পিলার ৪৫ পয়েন্ট দিয়ে পার হওয়া ১৭৭ জনসহ মোট ২৮৭ জান্তা সদস্য স্বশরীরে দেখেন।
কাল ২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে এ ২৮৭ আশ্রিতদের সেদেশের নৌবাহিনীর জাহাজে করে মিয়ানমারে নিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিজিবি কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে ১১ বিজিবি অধিনায়ক ককসবাজার জেলা প্রশাসক ও বিজিবি জন সংযোগ কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্টদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তারা এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হন নি। তাদের কোন কতৃপক্ষের বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয় নি।