
সরকারী আইন অমান্য করে অবাধে ফসলী জমির মাটি কেটে বিক্রির মহ্যেৎসব চলছে মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখানে। এতে পরিবেশ বিপর্যয়সহ কমে যাচ্ছে এলাকার ফসলী জমির পরিমান। পার্শ্ববর্তী জমিগুলোও পরছে হুমকির মুখে। মাটি পরিবহনে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জনসাধারনের চলাচলের রাস্তা।
সরজমিনে গিয়ে দেখি যায়, সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের কুসুমপুর বউবাজারের উত্তর পাড়া এলাকায় সাবেক ইউপি সদস্য জমির আলী ফসলি জমির মাটি বেকু দিয়ে কেটে মাহিন্দ্রা যুগে বিক্রি করছে।এতে করে কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে দিন দিন।
এলাকাবাসী জানান, প্রতিবছর এসব জমিতে আলু, সরিষা, গম, ধানসহ বিভিন্ন জাতের সষ্য চাষ করা হত। কিন্তু কিছু চিহ্নিত ভূমিদস্যু গত ৩/৪ বছর যাবৎ এলাকার কৃষি জমির মাটি বিক্রি করে আসছে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, আমরা জমি কিনে তার পর মাটি কাটি। এছাড়া অনেকে শুধু জমির মাটি বিক্রি করে তখন কাটি। জমির মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে ১৫/২০ ফুট গভীরে এমন খাড়াভাবে কাটে যাতে অল্প কয়েক দিনের মধ্যে পার্শ্ববতী জমির মাটি ভেঙে পরে। তখন পার্শ্ববর্তী ঐ জমিরও আর ফসল ফলানোর উপযোগী থাকেনা। তখন ঐ জমির মালিককে দালালের মাধ্যমে তাদের কাছে মাটি বিক্রি করতে বাধ্য করে।তারপর জমির মাটি কেটে ট্রাক বা ট্রলিতে ভর্তি করে জোর করে অন্যর জমির উপর দিয়ে এবং স্থানীয় ইউনিয়ন ও গ্রামীন সড়ক দিয়ে নিয়ে যায়। মাটি ভর্তি মাহিন্দ্রা সড়ক দিয়ে নেওয়ার সময় রাস্তাগুলো ভেঙে যায়। আবার ধুেলা-বালিতে এলাকা অন্ধকার হয়ে যায়। মাটি কাটার মেশিন (ভেকু) ও মাটি টানার ট্রলির শব্দেও এলাকাবাসীর ঘুম হারাম হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ফসলি জমির মাটি বিক্রি করা জমির আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জমি আমি মাটি কাটতেছি।
এ বিষয়ে ইছাপুরা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহ আলম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমির আলী মেম্বার সহ তিন থেকে চারজনের একটি টিম আছে তারা সব সময় ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি করে আবার বালু দিয়ে ভরাট করে প্লট করে বিক্রি করে। তার একটা ভূমিদস্য সিন্ডিকেট।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে হাবিবা ফারজানা এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিষয়টি জানা নাই আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম আমি লোক পাঠিয়ে এখনই ব্যবস্থা নিচ্ছি।