
জামালপুরের মেলান্দহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মেয়ে জামাইয়ের কুড়ালের আঘাতে মোগল মোল্লা (৫৫) নামে একজন নিহত হয়েছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোগল মোল্লা মৃত্যু বরন করেন। নিহত মোগল মোল্লা উপজেলার খাশিমারা গ্রামের মৃত মোছকত মোল্লার ছেলে। এঘটনায় মেয়ে জামাইয়সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতার ব্যাক্তিরা হলেন, নিহত মোগল মোল্লার জামাই হইবর রহমানের ছেলে আব্দুল লতিফ (৩৮), মুন্সি নাংলা গ্রামের আব্দুল এর ছেলে হইবর রহমান (৬০), খাশিমারা গ্রামের ফটিক মোল্লার ছেলে দুলাল মোল্লা (৪৫)।
মামলার এজহারসূত্রে জানাগেছে, দীর্ঘদিন থেকে শশুর মোগল মোল্লা ও মেয়ে জামাই আব্দুল লতিফের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিলো। বিয়ের পর থেকেই আব্দুল লতিফ তার শশুর বাড়িতে থাকতো। গত ১৬ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে নিজস্ব জমির একটি নালায় মোগল মোল্লা ও তার ছোট ভাই মুকুল মোল্লা মাছ ধরতে যায়। এসময় আব্দুল লতিফ তার শশুর মোগল মোল্লাকে মাছ ধরতে বাধা দিলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে আব্দুল লতিফ কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে স্থানীয়রা মোগল মোল্লাকে গুরুতর আহত অবস্থায় মেলান্দহ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে মোগল মোল্লার অবস্থার অবনতি হলে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে। ১৭ এপ্রিল বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোগল মোল্লার মৃত্যু হয়।
এঘটনায় নিহত মোগল মোল্লার স্ত্রী মোছা: সানোয়ারা বেগম (৫৩) বাদী হয়ে সাত জনকে আসামী করে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।গ্রেফতারকৃত্রা ছাড়া মামলার বাকী আসামীরা হলেন, মো: শাকিল , নজরুল মোল্লা , মনিকা বেগম মোছা: সাজেদা বেগম ।
মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ রাজু আহাম্মদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। ১৮ এপ্রিল সকালে উপ-পরিদর্শক ফয়জুর রহমানের নেতৃত্ব পুলিশের একটি চৌকস টিম ঘটনাস্থল থেকে তার জামাতাসহ তিনজনকে আটক করেছে।আটক তিনজনকে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।