
নিজস্ব প্রতিবেদক:: খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন মামলায় গুইমারাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ১২ বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। তবে বিএনপির অভিযোগ বিএনখাগড়াছড়িতে বিএনপি নেতাকর্মী আটকের হিড়িকপির আন্দোলনকে বাধাগ্রস্থ করতে এ ধারাবাহিক গণ আটক করা হচ্ছে। সকাল-সন্ধ্যা অবরোধের আগের সোমবার রাত থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় ৭জনকে । এছাড়া ঢাকায় বিএনপির সমাবেশে যাওয়া ও ফিরার পথে গুইমারা উপজেলা আরো ৫জনকে আটকের পর মামলা নিয়েছে বলে দাবি করছে বিএনপির।
গত ৩০ অক্টোবর রাত ৯টার সময় সিন্দুকছড়ি থেকে ২জন ও জালিয়াপাড়া ও পশ্চিম বড়পিলাক থেকে ৩ জনকে। হাফছড়ি থেকে ২জন মোট ৭জনকে আটক করেছে গুইমারা থানা পুলিশ। দাবী বিএনপির। দলীয় সূত্রের দাবী,অবরোধের আগের দিন রাত্রে এধরনের আটক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আটককৃতরা এরা হচ্ছে- আবু সাইদ, আল মামুন, বাবুল মিয়া , ইসমাইল হোসেন, আঃ রাজ্জাক, আবুল হাসেম ও জসিম উদ্দিন। অন্যদিকে খাগড়াছড়িতে বিস্ফোরক মামলায় খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ভাঙাব্রীজ থেকে হৃদয় (২৩) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশ।
এছাড়া ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ থেকে ফেরার পথে গুইমারা উপজেলা বিএনপির ৫ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃত নেতাকর্মীরা হলেন, গুইমারা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আরমান হোসেন, যুগ্ন আহ্বায়ক উপজেলা যুবদল হাফিজুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল হোসেন ভূইয়া, আহ্বায়ক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল আলা উদ্দিন আরিফ, সদস্য সচিব উপজেলা ছাত্রদল আল মামুন।
অবরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে রাতের আধারে মামলা দিয়ে ঘর ও দোকানপাট থেকে গ্রেফতার করছে। যাকে যেখানে পেয়েছে সেখান থেকে গ্রেফতার করেছে বলে জানান খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলা বিএনপির নেতারা। গুইমারা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সোহাগ অভিযোগ করে, অবরোধ বাধাগ্রস্থ করার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
আটকের বিষয় গুইমারা থানার অফিসার ইনর্চাজ রাজিব কর বলেন, আসামীদের বিস্ফোরক আইনে আটক করা হয়েছে। যার গুইমারা থানা মামলা নং-৮। ৩১ অক্টোবর ২০২৩ইং। এ সময় বিএনপি নেতাদের গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে আটককৃত নেতাকর্মীদের নিঃশর্তে মুক্তির দাবি জানান।