
পটুয়াখালীতে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ ২১ গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ উদযাপন করছেন ঈদুল ফিতর। সকাল থেকে ঈদের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে শিশু-কিশোরসহ এসব গ্রামের মানুষের মাঝে। বুধবার সকাল আটটায় কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগিরিয়া শাহ্সূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গনে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া জেলার সদর উপজেলার ৪ গ্রামে, কলাপাড়ার ৭ গ্রামে,রাঙ্গাবালীর ২ গ্রামে, গলাচিপার ৩ গ্রামে, দুমকির ২ গ্রাম ও বাউফল উপজেলার ৩ গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয়ভাবে এরা চট্রগ্রামের এলাহাবাদ সুফিয়া ও চানটুপির অনুসারী হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের মুসলমানদের সঙ্গে মিল রেখে আগাম ঈদ পালন করেন এ চান টুপি অনুসারীরা। প্রায় ১০০ বছর ধরে তারা আগাম ঈদ উদযাপন করে আসছে।
কলাপাড়া উপজেলার পৌর শহরের নাইয়া পট্টি এলাকার চান টুপি অনুসারী মৎস্য ব্যবসায়ী মিন্টু মিয়া জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠে ফিরনি সেমাই খেয়ে নামাজ পড়তে এসেছি। নামাজ শেষে সবার বাড়িতে যাব, অনেক আনন্দ উপভোগ করবো।
কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগিরিয়া শাহ্সূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফের তত্ত্বাবধায়ক নিজাম উদ্দিন বিশ্বাস জানান, প্রতিবছর সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে কলাপাড়া উপজেলার সাতটি গ্রামের মানুষ ১ দিন আগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করে। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলার সবচেয়ে বড় জামাত এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বংশপরম্পরায় আমরা এ দায়িত্ব পালন করে আসছি।